ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

প্রিয় বন্ধুরা,

মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা।
ইটিভি, এনটিভি, আরটিভি রিপোর্ট
দিগন্ত টিভি রিপোর্ট
দিগন্ত টিভি রিপোর্ট

মেঘনাপাড় স্কুলে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনঃ

২৬ মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিনে আমরা আপনাদের সাথে নিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে স্বাধীনতার আনন্দ শেয়ার করতে চাই। আপনারা যারা ২৬ মার্চ ২০১১ তারিখ মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে যেতে ইচ্ছুক দয়া করে এই পোস্টে নিশ্চিত করবেন। একমাস আগে থেকেই পোস্টটি দেওয়া হলো যাতে সবাই এই বিষয়টি অবগত থাকেন। আপনাদের অংশগ্রহণের উপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে পোস্টটি আপডেট করা হবে।

মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন সংবাদঃ

১. ধীবর বিদ্যানিকেতনের সহকারি শিক্ষক জনাব দেলোয়ার হোসেন এখন সুস্থ এবং তিনি গতকাল স্কুলে যোগদান করেছেন।
২. ক্লাশ ওয়ানের অবশিষ্ট ৬০ সেট বাংলা এবং গণিত বই গত ২০/০২/২০১১ তারিখ সংগ্রহ করে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে বিতরণ করা হয়েছে।
৩. স্কুলের ২০০ জন শিক্ষার্থীকে নিবিড়ভাবে পাঠদান করা ৪ জন শিক্ষকের পক্ষে কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই নতুন আরেকজন শিক্ষককে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত করা হয়েছে।
৪. আপনাদের ভালবাসার স্কুলটিকে অনেকেই আপনাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে, পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করেছেন যার ফলে মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের আজকের এই অবস্থান। আপনারা প্রথম থেকেই যাঁরা স্কুলকে বিভিন্নভাবে আর্থিক সহায়তা করেছেন তাঁদের নামগুলো চিরস্থায়ী করে রাখার জন্য আমরা একটি ওয়েবসাইট ডেভেলপ করছি। সাইটটি উন্নয়নের কাজ চলছে। সাইটের ঠিকানা-www.eflbd.org
৪. স্কুলের বেঞ্চঃ ঢাকা থেকে আমাদের স্কুলের জনৈক শুভাকাঙ্ক্ষী ১০ জোড়া বেঞ্চ স্কুলের জন্য উপহার স্বরূপ দিচ্ছেন। এগুলো আগামী সপ্তাহেই পিকআপ ভ্যানে করে পাঠানোর ব্যবস্থা করবো।

আপনাদের কাছে আবেদনঃ
প্রায় তিন বৎসর হতে চলল মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের বয়স। স্কুলের ৫ জন শিক্ষক এবং ১ জন কেয়ারটেকারের বেতন বাবদ আমাদের প্রতিমাসে খরচ হয় নিম্নরূপঃ

প্রধান শিক্ষক ১ জন- ২০০০/- টাকা
সিনিয়র শিক্ষক ১ জন- ১,৫০০/- টাকা
সহকারী শিক্ষক ৩ জন -৩,০০০/- টাকা
কেয়ারটেকার ১ জন- ১,০০০/- টাকা।
অন্যান্য – ৫০০/- টাকা।
অর্থাৎ প্রতিমাসে আমাদের সর্বমোট ব্যয় = ৮,০০০/- টাকা।

আমাদের এক ব্লগার বন্ধু আব্দুল্লাহ আল রানা ফরহাদ প্রতিমাসে ১,০০০/- টাকা করে শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ব্লগার বন্ধু জেড.এইচ সৈকত এক বৎসরের শিক্ষা ব্যয় বাবদ ১৪,০০০/- টাকা অগ্রিম প্রদান করেছেন। আর বাকি থাকে ৬,০০০/- টাকা। মাত্র ৬ জন বন্ধু প্রতিমাসে ১,০০০/- টাকা করে দিলে কিংবা ১২ জন বন্ধু প্রতিমাসে ৫০০/- টাকা করে দিলে আমরা শিক্ষকদের বেতন বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে পারি।
অনেকের কাছে একমাসে ৫০০/১০০০ টাকা কিছুই না। কিন্তু এই অর্থটুকুই একটি পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠীর শিক্ষা বিস্তারে খুবই সহায়ক হতে পারে।

স্কুলের অবকাঠামোঃ প্রায় তিন বৎসর হতে চলল স্কুলের বয়স। বেড়ার তৈরি স্কুল ঘর দুটো বর্তমানে অনেকটা জীর্ণ হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা স্কুলের জন্য বড় ঘরটি সংস্কার এবং সম্প্রসারণ করেছি। সামনে ঝড় বৃষ্টির দিন আসছে। স্থায়ীভাবে স্কুল ঘরটি না করে দিলে যে কোন সময় ভেঙ্গে যেতে পারে। এজন্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ্যটুকু নিয়ে এগিয়ে এসে স্কুলটিকে সহায়তা করতে পারি। প্লিজ আপনারা এগিয়ে আসুন।

সহায়তা করার জন্যঃ

মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন
সঞ্চয়ী হিসাব নং- ০০৮৭-১২১-০০০১৩২৯৬
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক
(বিঃদ্রঃ ব্লগার বন্ধু ডা. চৌধুরী জালালউদ্দিন মুর্শেদ রুমী কর্তৃক প্রেরিত ২০০০/- টাকা মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে।)
আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

আপডেটঃ
ব্লগার রঙ্গীলা ভাই মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনকে মাসিক বা বাৎসরিক একটি সহায়তাদানের ঘোষণা দিয়েছেন। রঙ্গীলা ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞতা।