ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

ইট-বালি-সিমেন্টের ঢাকা শহর। প্রাণহীন ছুটে চলা, যান্ত্রিক, রোবট জীবন। মানুষের ওষ্ঠাগত প্রাণ। মানুষের দাম্পত্য, স্নেহের সম্পর্ক, মূল্যবোধও আজ ক্ষয়িষ্ণু। মানুষ এখন রোবট। আসলে মানুষের ভবিষ্যত কি রোবটের সঙ্গেই বসবাস?

রোবট কি মানুষের স্থান দখল করে নিতে পারবে? মানুষ ক্রমাগত রোবটের উন্নতি করে চলেছে। একসময় আর মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক তৈরি হবেনা। সম্পর্ক হবে মানুষে-রোবটে। রোবট এবং মানুষ একসঙ্গে গেলে কি হবে? উন্নতি নাকি অনিবার্য ধ্বংস?

উত্তর জানা নেই। তবে, আমরা যারা ঢাকায় থাকি তারা জানি রোবটের জীবন কেমন। টের পায় হাড়ে-হাড়ে। বিশৃক্সখল এলোমেলো জীবন।

কিছু থ্রিডি কম্পিউটার গ্রাফিক্স এর ছবি দেখি কেমন হতে পারে সম্পর্ক মানুষে রোবটে…।

দাবা খেলা… জিতবে কে? বাস্তবে কিন্তু চলছেই এই অনুশীলন। আমরা জানিনা ফলাফলটি কি।

কাজের রোবট .. কাজের ক্ষেত্রে রোবটের প্রচলন কিন্তু আগেই ঘটিয়েছি আমরা। সময়শ্রায়ী এই রোবট আমাদের জীবনে অনেকটাই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে।

সহকর্মী যদি রোবট হন। তবে, কি আর আডাডা জমবে? রসালো আলাপ আর গুজব নিয়ে আমাদের মজার জীবনটা কি শেষ হয়ে যাবেনা?

বাড়ির ছোটো বাগানটিতে ফুল ফোটে রোজ। নিজের হাতে পানি দিয়ে গড়ে তোলা এক অন্য অনুভ’তি। কিন্তু এই কাজটি রোবট করবে কেনো?

গার্লফ্রেন্ডের ছবি বুকে ঘুমাতে যান অনেক রোমিও। কিন্তু রোবট গার্লফ্রেন্ডটিকে কেমন করে ভুলে থাকবেন।

চিরযৌবনা হবার শখ প্রতিটি মেয়েরই। কিন্তু অনন্ত সময়ের হাতে বন্দী তাদের স্বপ্ন কিন্তু স্বপ্নের নায়িকা যদি রোবট হয়ে যায়?
আবেগের অনুভ’তি, স্পর্শ মানুষকে কাছে আনে। কিছু কথা বলতে হয়না বুঝে নিতে হয়। রোবটে-মানুষে যখন সম্পর্ক গড়াবে তখন এই মুহুর্তগুলো কাটবে কিভাবে।

ভালোবাসা ভালো নয়। রাতের বিছানায় সঙ্গী হয়ে গল্প করার, জোৎস্না দেখার মজাটা কেমন হবে? মনের আবেগ ঠিক থাকবে তো?

আমরা এখনই রোবট হয়ে গেছি। আমাদের মধ্যে কতোটুকুই বা অনুভ’তি রয়েছে বেঁচে?