ক্যাটেগরিঃ মুক্তমঞ্চ

 

‘ঈশ্বর কে? কে ভাগ্য বিধাতা? উত্তর : টাকা শুধুই টাকা। টাকা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব কল্পনা করা মূর্খতা। টাকায় সব পারে। টাকায় সব হয়। টাকা পেলে স্বর্গ মেলে, টাকা পেলে মেলে স্বাধীনতা। টাকার জন্য সব করা যায়। চিন্তায় টাকা, সবকিছুতেই টাকা। এতো এতো টাকার কথা কেনো বলছি? কেনো টেনে আনছি ঈশ্বরকে, কেনো শোনাচ্ছি টাকার প্রয়োজনীয়তার কথা?

কথায় আছে, টাকায় স্বাধীনতা মেলে। অসীম স্বাধীনতা। এই টাকা না থাকলে কি হয় ? যার এখন টাকার দরকার তিনিই বোঝেন। নিজেকে মিথ্যা সান্ত্বনা না দিয়ে; কেউই টাকা ঈশ্বরকে অস্বীকার করতে পারবে না।

‘মানি ইজ দ্যা সেকেন্ড গড’ কিন্তু কোন পরিস্থিতিতে? যখন প্রথম গড, সেকেন্ড গডকে অনুগত করে দিয়েছেন। কিন্তু সেকেন্ড গড যখন প্রয়োজনীয়তার উর্ব্ধে উঠে যান তখন প্রথম গডের অস্তিত্ব থাকার প্রশ্নই ওঠেনা।’

‘হা হা হা…… টাকা দিয়ে সব কিনতে পারবেন চৌধুরিসাহেব, আপনার মেয়েকে বাড়ি, গাড়ি, সোনার গহনা কিনে দিতে পারবেন কিন্তু বিশ্বকাপের টিকিট দিতে পারবেন না’…

আমি গরীব হতে পারি তবুও অনেক কষ্টে পাওয়া গ্যালারির দুইটি টিকিট আমার হাতে আছে।

আপনি হয়তো টাকার জন্য ঈশ্বরকে অস্বীকার করতে পারেন… কিন্তু টাকা থাকলেই আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি…… আপনি এখন সেকেন্ডারি শেয়ারে বিনিযোগ করার সাহস করবেন না। কারণ আমরা সাধারণ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আমরা মূলধন হারিয়ে হৈচৈ করতে পারি… আপনি নীরবে কাঁদবেন… কিচ্ছুটি বলতে পারবেন না!

আপনার স্ট্যাটাস আছে না।

আপনার সঙ্গে আমি একমত চৌধুরি সাহেব!

আসলেই টাকা দরকার, তবে এতোটা নয়!

আমাদের গরীব মানুষের বাঁচতে, আপনার মেয়েকে নিয়ে দুমুঠো খেয়ে বাঁচতে যতোটুকু দরকার ততটুকুই টাকা দরকার।

আপনারাই অতি মুনাফার লোভে শেয়ারবাজারের হাল নিয়ন্ত্রনে রেখে, আপনারাই কালো-হাত দিয়ে .. কিছু একটা করে আমাদের সে স্বপ্নটুকু শেষ করে দিয়ে আপনার পথেই টেনে আনলেন।

আমাদেরও বলতে বাধ্য করলেন- ‘আমি টাকা চাই, কারণ আমি স্বাধীনতা কিনতে চাই’।