ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

আমার কথা বলার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চাচ্ছে কেন? কাউকে আঘাত না করলেও স্বাধীন মত প্রকাশের বাধা কেন আসছে? একটা একটা করে সব আক্রমণ কেনো তাদের ওপরেই নেমে আসছে যারা এই ক্রান্তিকালে মানুষের কথাই বলছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সাংবাদিকদের ওপর হামলার সাহস কোত্থেকে পেল সন্ত্রাসীরা? নিশ্চয়ই সমসাময়িক ঘটনার ধারাবাহিকতার একটি উদাহরণ এটি। সাগর-রুনি হত্যাকারীদের ধরতে না পারা, সাংবাদিকদের ওপর পুলিশি নির্যাতন আর সাংবাদিকদের বাকস্বাধীনতাকে রুদ্ধ করার যে পাঁয়তারা চলছে. তারই একটা ফল নয় কি?
এর দায়ভার কার?

আমার বাড়িতে এসে আমাকে আহত করবে, আমি রাস্তায় নামলে আমাকে নির্যাতন করবে আর অফিসে গেলে আমার রক্ত ঝরবে। আমি কি কোনো প্রতিবাদ করতে পারবো না। আমি কি এর বিচার পাবো না?
সাংবাদিক বলে হয়ত, তড়িৎ ব্যবস্থার নেওয়ার তৎপরতা দেখায় প্রশাসন। কিন্তু সাধারন বাসে ঝোলা মানুষ হয়ে আমাকে যখন সব কিছু সহ্য করতে হচ্ছে তখন কি আমি একটি কথাও বলবো না?

বিডিনিউজ কর্মীদের রক্ত ঝরা মেঝের ছবি যখন চোখের সামনে এল..তখন একটা রক্তক্ষরণ হল অন্তরে….রক্ত ধমনীতে নেচে উঠে একটা প্রতিবাদের ডাক দিল… কিন্তু রক্তাক্ত সেই প্রতিবাদ একটা দীর্ঘশ্বাস হয়ে স্থিমিত হয়ে এল…..

আমরা এখন এমন একটা পরিস্থিতিতে আছি..যখন সাংবাদিক মানেই রক্তে ভেজা একটা মেঝে…পিচ ঢালা রাজপথে বেদম প্রহার আর ঘরের কোনো হাত বাঁধা লাশ….. এর বিরুদ্ধে সবার কাছে নিজ নিজ অবস্থান থেকে একটা প্রতিবাদ আশা করছি… তা যেন দীর্ঘশ্বাসকে দীর্ঘায়িত না করে।