ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

যে পুলিশ একজন শিক্ষকের গায়ে হাত তুলল, সে কি কোন দিনই বিদ্যালয়ে যায়নি !!! তাঁরা তো কোনো অন্যায় করেনি তাঁরা শুধু তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথা লেখা একটি কাগজ প্রধানমন্ত্রীর অফিসে পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন। আমরা অনেক সময় বাবা-মার সাথে দুর্ব্যবহার করলেও কখনো শিক্ষকের সাথে তো করিনা। খবরে দেখলাম একজন ষাটোর্ধ শিক্ষককে পুলিশ ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। একটি গণতান্ত্রিক দেশে বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্দেশে মিছিল করা কি কোন আইন বহির্ভূত কাজ?

তাদের মিছিলে জনগণ সহ যানবাহন চলাচল সামান্য সমস্যা হলেও তাদের দ্বারা কোন ভাংচুর,আগুন,তাণ্ডব, জান মালের ক্ষতি ও কোন অরাজকতা সৃষ্টি করা হয় নাই । তারপরও কেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ অন্যায় ভাবে শিক্ষকদের লাঠিপেটা করেছে ?জিরো টলারেন্স! দুর্নীতি আর দুর্বৃত্তগিরি যেখানে ছাড় পায়, সেখানে শিক্ষকেরা রাজপথে পুলিশের দ্বারা পদদলিত হবেন, এতে তাই অবাক হওয়ার কিছু নেই।হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে মারা গেছেন লাঞ্ছিত শিক্ষক। মৃত্যুবরণকারী শিক্ষক আজিজুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। নিহত শিক্ষকের লাশের ভার আমাদের কাঁধে। এ ভার নামানো ছাড়া সরকারের দায়মুক্তি নেই। আজ সত্যিই আমরা খুব ছোটো হয়ে গেলাম। তবে কি পুলিশে চাকরি করলে মানুষ অমানুষ হয়ে যায়!!!