ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

অনেকেই বলেন বি এনপি জামাতে কি মুক্তিযোদ্ধা নাই? তাদের প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয়, নাই। কারন এই জোট মুক্তিযোদ্ধা দের জন্য কি করেছে? যারা নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন তারা না খেয়ে খেয়ে মারা যাচ্ছেন। তাদের জন্য কি করেছে? অনেকেই বলবে,” তারা কি কিছু পাওয়ার আশায় যুদ্ধ করেছেন?” হা! হা!

gerilla

তারা কিছু পাওয়ার আশায় যুদ্ধ করেননি এটাই তাদের ভুল, এটাই তাদের বড় দুর্বলতা। তারা যদি সত্যি কিছু পাওয়ার আশায় যুদ্ধ করতেন তাহলে যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসররা বাঙলাদেশে থাকতে পারত না, পারতনা তারাও এদেশে ফিরে আসতে যারা যুদ্ধের সময় ভারত-পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছিল কিংবা শরীরের শক্তি থাকা সত্বেও এদেশ থেকে পালিয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা দের জন্য কিছু করা আমাদের অবশ্যই জরুরী। আমি কোন দল করিনা তবুও বলছি, বর্তমান সরকার যা করছেন তাতে অবশ্যই সবারই সমর্থন দেয়া দরকার কারন বিগত সরকার গুলো নামমাত্র ভাতা প্রদানের অভিনয় করেছিল। আর বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিমাসে ১০ হাজার করে টাকা দিচ্ছেন, সামনের বছর ২০ হাজার করে আর চাকুরীর বছর ৬৫ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে(অবসরপ্রাপ্ত কিংবা রেগুলার) অর্থাৎ অবসর প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যাদের বয়স ৬৫ হয়নি তারা আবার চাকুরী তে যোগদান করতে পারবেন। এনিয়ে সাধারণ জনগনের কোন হতাশা কিংবা অভিমান কিংবা হিংসা করা ঠিক হবেনা কারন তারাই তো এদেশ রক্ষা করেছিল, তাদেরই তো কিছু অংশ দাবি রাখে পাওয়ার।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান্দের জন্য ৩০% কোটার ব্যবস্থা করা হয়েছে অবশ্যই ভাল দিক তবে দেশের সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করে ২০ % কোটা সাধারন শিক্ষার্থীদের মাঝে দান করাটা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের একান্ত কাম্য এবং এটিও যেন সাধারন জনগনের জন্য যুদ্ধের একাংশ।