ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

শিক্ষা একটি দেশের মূল স্তম্ভ বলে আমি মনে করি। দেশ তখনি এগিয়ে যেতে শুরু করে যখন সেই দেশর শিক্ষানীতি মানদণ্ড ভিত্তিতে সংস্কার হয়। আমরা ’৬২ তে আন্দোলন করেছিলাম পাকিস্তানি শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে। কেন করেছিলাম কারো অজানা নয়।

বাংলাদেশে যখন ২০১০ সালে সৃজনশীল ভিত্তিক পাঠ্যক্রম চালু হয় তা সত্যি আমাকে আনন্দময় করেছিল। মনে হচ্ছিল আমরা অনেক বছর পর একটি ভাল, মান সম্মত শিক্ষা মন্ত্রণালয়/শিক্ষানীতি উপহার পেয়েছি। কিন্তু কয়েক বছর যেতে না যেতেই তাও মুখস্ত বিদ্যার আদলে চলে আসে। এখন বলতেও লজ্জা করছে এত নিম্ন মানের শিক্ষা, প্রতিটি বইয়ের পাতায় পাতায় ভুল, শুধু তাই নয় সরকারি বইয়ের পাতায় এখন বিজ্ঞাপনও দিচ্ছে সরকারি দলের।

হেফাজত ইসলামের কথা সরকার রাখতে গিয়ে বইয়ে আমুল পরিবর্তন এসেছে। ১০ টিরও বেশি হিন্দু কবি, সাহিত্যিকদের লেখা বাদ দেওয়া হয়ছে। এমন কি কবিগুরু রবি ঠাকুরের লেখাও বাদ পড়েছে।

আমি সরকারের কাছে এখন এটাও আশা রাখতে পারি, মেয়েরা ৫ম শ্রেণির উপরের পড়ালেখা করতে পারবে না! খুব দ্রুত মধ্য যুগ আবার দেখতে পাবো! মনে রাখবেন আপনার সন্তানও ঐ স্কুলে পড়ে। জঙ্গিবাদী হওয়া এখন আরো সহজ।

বাহার উদ্দিন রায়হান
ছাত্র – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়