ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত, সে জাতি তত বেশি উন্নত। শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তাহলে শিক্ষক মেরুদণ্ডের কারিগর। এই মেরুদণ্ড রক্ষার কারিগরেরা, উন্নত জাতি গঠনের কারিগরেরা যদি সঠিক মূল্যায়ন না পায়, তাহলে জাতি কি করে শিক্ষিত আর উন্নত হবে?

আজকে শিক্ষার দিকে তাকালে দেখা যায় শিক্ষার হার বাড়ছে, দিন দিন উন্নতি হচ্ছে। যারা এর পিছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের প্রতি যদি সহানুভূতিশীল না হওয়া যায়, তাহলে শিক্ষিত প্রজন্ম আর উন্নত ভবিষ্যৎ জাতি কি করে পাবে?

২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭, হতে টানা পাঁচ দিন অবস্থান কর্মসূচির পর আমরণ অনশন করে আসছেন দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসারর হাজার হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এর মধ্যে ১৩ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছেন। তাদের দুঃখ দেখার মত কি কেউ নেই?

২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল, আর বাকি গুলো আশ্বাসের উপর আছে। আর কতকাল এভাবে তারা বিনা বেতনে পাবলিকের হাতের উপর ভরসা করে চলবে। শুধু শিক্ষিত মা দিলেই তো আর শিক্ষিত জাতি পাওয়া যাবে না, সেই মার পিছনে খাটুনি আছে না? এমনিতেই কি শিক্ষিত জাতি পাওয়া যাবে? তা নাহলে এই ৫ হাজার ২৪২ টি প্রতিষ্ঠানের ৮০ হাজার শিক্ষকেরা কি করে করবে? ওনাদের পেটেও তো ভাত দিতে হবে। উন্নতির কারখানার চাকা বন্ধ হয়ে গেলে তো আর হবে না।

মেনে নেয়া হউক তাদের দাবি। সুপ্রতিষ্ঠিত করা হোক দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে। বিশ্বজুড়ে যে সুনাম অর্জন হচ্ছে, এর ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে এর একটা বিহিত করতে হবে। সকল সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। মাদার অব হিউম্যানিটির কাছে এই প্রত্যাশা রইলো।