ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি খুন হয়েছেন। রাস্তা ঘাটে নয়, নিজ বাসায়।
সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে যখন একটু শান্তির খোঁজে তারা অন্যান্য মানুষের মত শান্তির দূর করার চেষ্টা করছিলেন, একটু ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই তাদেরকে চিরতরে ‘ঘুম’ পাড়িয়ে দেয়া হয়।
কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত এ নিবন্ধ লেখা পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি তার ক্লু ।

পত্রিকার সংবাদ মতে গত ৩ বছরে ১৪ সাংবাদিক খুন হয়েছেন।

গত বছর নিজ বাসায় খুন হয়েছিলেন আরও এক সাংবাদিক দম্পতি (ফরহাদ খা)। বিচার হয়নি তারও। এর আগে খুন হয়েছেন এটিএন বাংলারই এক ক্যামেরাম্যান-মিঠু। বিচার হয়নি তারও। এক কথায় এই ১৪ সাংবাদিক হত্যার বিচার হয়নি।

মানুষ তার নিজের ঘরেও নিরাপদ নয়। এর চেয়ে বড় ব্যথা-বেদনা আর কি হতে পারে?

সাধারণ মানুষের তাহলে কি অবস্থা।
রাজধানীতে এর আগে প্রেমিকার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রেমিক।

২০১০ এর ৮ মে রাজধানীর শনির আখড়ায় মা-মেয়েকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এর আগে খুন হন রাজধানীর রমনা-নয়াটোলা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিজান।
১৯ এপ্রিল সস্ত্রাসীদের হাতে খুন হন রাজধানীর বংশাল থানার অপারেশন অফিসার এসআই গৌতম।

ক্যাম্পাসগুলোতে অস্ত্রের ঝনঝনানি। ছাত্র লীগ সস্ত্রাসীদের তান্ডব চলছেই। সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের হাতে খুন হয়েছেন তিন ছাত্র।

অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে আমরা এখন জঙ্গলে বসবাস করছি। যেখানে জীবনের নিরাপত্তা নেই। অন্যায়ের বিচার নেই। জীবনের নিরপাত্তা না থাকা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন আর বিচার না পাওয়া প্রহসন ও অপমানজনক। কত বড় অপমান, সর্বস্ব হারিয়েও মানুষ আজ বিচার পাচ্ছে না।
এভাবেই কি চলতে থাকবে দেশ?