ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

আমেরিকান এক কর্মকর্তা সিনেটে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশসহ মোট পাঁচটি দেশে আমেরিকান টাস্ক ফোর্স ইসলামী জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে অর্থাৎ সেইসব দেশের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ইসলামী জঙ্গীবাদের লড়বার কায়দা-কানুন শেখাচ্ছেন। ভালো কথা, নতুন জিনিস শেখা ভালো। তবে এর সাথে “দুইহান কথা” থেকে যায়। এইযে আমেরিকান ওস্তাদেরা নতুন ইস্কুল “খুইলাছেন” তা কবে থেকে চালু হলো তা আমাদের জানানো হয়নি। কোন চুক্তির অধীনে এই ইস্কুলের ওস্তাদেরা বাংলাদেশে (যা এখনো স্বাধীন ও সার্বভৌম বলে দাবী করা হয়) নাজেল হয়েছেন তা মহামান্য বাংলাদেশ সরকার বাহাদুর তুচ্ছ জনগনকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি। কখনোই করেনা।

ভারত ও শ্রীলঙ্কা ইতিমধ্যে তাদের দেশে এধরনের কোন টাস্কফোর্সের উপস্থিতির কথা অস্বীকার করেছে (সিনেটে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার সাহস আমেরিকানদের আজতক হয়নি। একদম ভীরুর জাতি)। দুঃসাহসে ভর করে আমরা কি আমাদের মহামান্য সরকার বাহাদুরের কাছে এই টাস্কফোর্সের বিষয়ে একটি ব্যাখ্যা চাইতে পারি? আমাদের বাম ও ছদ্মবামের কজন তো স্বভাববশতঃ একখান বিবৃতি খালাস করে পান চিবুচ্ছেন। অতি স্বাভাবিকভাবে তথাকথিত বিরোধী দল, যদি শুধু আমেরিকার নামও এ বিষয়ে যুক্ত থাকে, তাহলে রা’টিও কাড়বেনা। সমস্যাটি হচ্ছে আমাদের মতো কিছু দেশপ্রেম নামের রোগে ভোগা বোকাদের। এদেশটিকে আমরা অবসেসিভ রোগীর মতো ভালোবাসি। এই ছ্ন্নছাড়া, হা-দরিদ্র, খুবলে খাওয়া দেশটিকে নিয়ে নতুন উদ্বেগের কিছু শুনলে কলজেটা মোচড় দিয়ে উঠে। তাই আমার সেই বেয়াদবি প্রশ্ন, গোস্তাখী মাফ করবেন।
আপনারা কেউ কিছু বলবেন?