ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

অন্য ব্লগে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্তীর উপরোক্ত মন্তব্যকে শিরোনাম করা সংবাদটি পড়ে রীতিমতো আতঙ্কিত ও বিচলিত হয়েছি। দেশের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রীর কাছে যদি কোন ব্যক্তির, তিনি যেই হোন, অন্যদেশের এজেন্ট হওয়ার মতো দেশদ্রোহিতার প্রমান থাকে তাহলে তিনি তা কর্মীসভায় প্রকাশ না করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেবেন সেই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে। কারন বাংলাদেশের সংবিধানানুযায়ী দেশদ্রোহিতা মৃত্যুদন্ডদানকারী অপরাধ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শপথ নিয়েছিলেন যে কোনরূপ অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে তিনি সংবিধানকে প্রয়োগ ও রক্ষা করবেন। আমরা দেখছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর উপর সংবিধানপ্রদত্ত দায়িত্বপালনে শৈথিল্য ও অমনোযোগিতা প্রদর্শন করেছেন, যা সংবিধানের লংঘন। এবারই প্রথম নয়, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এর আগেও সংবিধানের নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা প্রকাশ করেছেন (যেমন তিনি এর আগে যা বলেছেন তার মর্মার্থ হলো দেশের মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা দেয়া তাঁর সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়)।

যা হোক, দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কাছে খালেদা জিয়ার পাকিস্তানী এজেন্ট হওয়ার প্রমানাদি নিশ্চয়ই আছে এবং একজন করদাতা নাগরিক হিসেবে এটি আমার অধিকার যে আমার নির্বাচিত সরকারকে আমি আদেশ দিতে পারি যেন আমার রাষ্ট্রকে সম্পুর্ণ সুরক্ষা দেয়া হয়। অন্যথায়, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা প্রদর্শনের দায়ে আমরা যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে পারি।
(কী সাংঘাতিক কথা, অন্য একটি দেশের এজেন্ট আজ বৃহৎ এক দলের প্রধান!!)

আমি অন্যান্য পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং মতামত দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।