ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

মূল পোস্ট: রোহিঙ্গা ইস্যু: জামাতের সাথে ধর্ম বিরোধীরাও ফায়দা লুটছে, শাহরিয়ান আহমেদ

ভাইয়া সুনিয়ে, এক বাত আপকে লিয়ে, ছোটকালে বিদ্যালয়ে দেখিয়াছেন , আমরা বলিতাম দপ্তরি “বেল” বাজাইত। গোলাকৃতি পিতলের ‘বেল’ কাঠের হাতুড়ি দিয়া পিটাইয়া শব্দ করিয়া বুঝাইয়া দিত “পিরিয়ড” শেষ । কাঠের হাতুড়িটি যদি পিতলের বেলের উপর না পরিয়া হাওয়ায় পরিত তবে কী শব্দ হইত ? না ।

সেইরূপ , রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখিয়া অনেক ধর্মপক্ষী চেঁচামেচি করিয়া কান ঝালাপালা করিয়া ফেলিতেছে । হাস্যকর হইল, এই ধর্মপক্ষীগুলা আকাম কুকামের ইতিহাস গড়িয়াছে ‘৭১ এ ।
মূল কথা হইল যে বিশ্ব মোড়লরা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করাইবার জন্য চিল্লাচিল্লি করিতেছে, সেই নাসারা বেদিন দের কথা আর ধর্মপক্ষীদের কথা মিলিয়া গিয়াছে। ইহাকেই বলে স্বার্থ । যেখানে হাতুড়ি পিটাইলে শব্দ হইবে সেখানেই পিটাইতে হইবে, হাওয়ায় নয় । ধর্ম পক্ষীদের মূল উদ্দেশ্য যদি রোহিঙ্গাদের রক্ষা করা হইত তাহা হইলে উহারা বাংলাদেশের সীমান্ত খুলিয়া দিবার দাবি না করিয়া ওই বেদিন নাসারা দেশের দূতাবাস ,জাতিসংঘের নেতৃত্ব দানরত দেশের দূতাবাস গুলির সামনে গিয়া লম্ফঝম্ফ করিয়া বলিতে পারিত, মিয়ানমার সরকারের উপর চাপ দিন যাতে রোহিঙ্গা নিধন বন্ধ হয় । প্রয়োজনে ধর্ম পক্ষীরা একটা লংমার্চের ঘোষণা দিয়া শহীদ হইয়া যাইতে পারেন ।
ধর্মপক্ষী ভাইয়েরা ….হাওয়ায় মরিবেন না, যায়গা মত মারেন বেল বাজিবে .

বি : দ্র: ধর্মবিরোধীর বিপরীত শব্দ ধর্মপক্ষী শব্দটি শুধুমাত্র এই ব্লগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য!