ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

জামাতিদের দু:সাহস ধীরে ধীরে মাত্রা ছড়িয়ে যাচ্ছে । জামাত শিবির কুলাঙ্গার বাহিনী প্রথমে দেশের নিয়মিত পুলিশ বাহিনীর উপর চোরের মত হামলা করে এসিড টেস্ট করে ফলাফল অনুকূলে পেয়েছে এবং পাচ্ছে । প্রতিদিন টিভি নিউজ এ দেখা যায় চার পাঁচজন পুঁচকে রাজাকার কয়েকজন পুলিশকে পাগলা কুকুরের মত চারদিক থেকে পিটাচ্ছে, পুলিশ বেধড়ক মার খাচ্ছে , দেখে মনে হয় আত্মরক্ষার কৌশল টুকুও ওদের জানা নেই । আসলে পুলিশের ট্রেনিং আছে “তোলা” উঠানোর , একাজে ওর বেশ পটু । আজ বিকেলে নিউমার্কেটে দেখে এলাম , নিউ মার্কেট পূর্ব গেটের দক্ষিণ পাশে তিনজন পুলিশ সার্জেন্ট এবং গোটা চারেক ট্রাফিক পুলিশ কনেস্টেবল গাড়ি আটকিয়ে “তোলা” উঠানোয় ব্যস্ত । এর ত্রিশ গজ উত্তরে নিউমার্কেট পূর্ব গেটের উত্তর অংশে রাস্তার উপর চার সারি গাড়ি পার্ক করে মূল সড়কে চলাচলের জন্য মাত্র দশ ফুট যায়গা খালি রাখা হয়েছে ।বিষয়টি “তোলা” সম্পর্কীয়। এই পুলিশ বাহিনীর নৈতিক বল তো আত্মরক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়। অতএব চ্যাংরা পোলাপানের হাতে উত্তম মধ্যম খেয়ে হজম করতে হয় । যাই হোক এটা আমার লেখার মূল বিষয় নয় ।

রাজাকাররা দেশব্যাপী প্রায় দেড়শ পুলিশকে আহত করেছে , একজন পুলিশকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছে । তারপর ওরা সাহস করে আইন মন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলা করেছে । পুলিশ কিছুই করতে পারেনাই ।

এবার নতুন খবর , চাপাই নবাবগঞ্জে আজ বিজিবির গাড়িতে হামলা চালিয়েছে রাজাকার , আলবদর , জামাত শিবিরের ইবলিশরা । গাড়ি ভাংচুর করেছে এই আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের । বাহিনীর সদস্যরা কমবেশি আহত হয়েছে । সরকার নাকে সরিষার তেল দিয়ে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। ওদের টিকিটিও ছুঁতে পারেনি। এভাবে হামলাকারী শিবিরীয় ষন্ডাদের সাহস বাড়াতে পুলিশের অভ্যন্তরে সক্রিয় একটি জামাতি চক্র সাহায্য করে যাচ্ছে ।

সবচেয়ে ভয়ংকর যে ব্যাপারটি জাতির জন্য অপেক্ষা করছে, তা হল পুলিশ , আইন মন্ত্রী , বিজিবির উপর সাফল্যজনক হামলার পর এবার কী ওরা সেনাবাহিনীর উপর আক্রমণ করে ওদের উপস্থিতি জানান দিবে? সরকার কী সেই অপেক্ষায় চুপটি মেরে আছে? কোনও কিছুই হয়তো অসম্ভব নয়। আমরা শুধু এটুকুই বলতে পারি সেনাবাহিনীর ভাইরা আপনার সাবধানে চলাফেরা করবেন, আপনাদের মান মর্যাদার সাথে জাতির মান মর্যাদা সম্পর্কিত। সরকারের নিস্ক্রিয়তায় মনে হয় দেশে এখন পুলিশ বিজিবি নয় শিবিরের ষণ্ডা গুলোই বেশি শক্তিশালী ।

কিছুদিন আগে পুলিশ বাহিনীর ভাইদের এ বিষয়ে আলাপ করতে শুনলাম, “আমরা আক্রান্ত হচ্ছি ,কিন্তু সরকার আমাদের আত্মরক্ষার জন্য গুলি করার অনুমতি দিচ্ছেনা।” পুলিশের আরেক সদস্য বলছিলেন , “অন্তত পায়ে গুলি করার অনুমতি দিলেও আমরা ওদের প্রতিহত করতে পারতাম । ” তখন আরেক পুলিশ সদস্য বলে উঠলেন ,””পায়ে গুলি করলে যদি গণতন্ত্রের ক্ষতি হয় , আমরা ওদের দুই পায়ের সংযোগ স্থলে গুলি করে হলেও আত্মরক্ষা করতে পারি।”

সরকারের এখুনি সচেতন হবার সময়। পুলিশ, আইনমন্ত্রী, বিজিবির পর সেনাবাহিনীকে যেনো ওরা পরবর্তী টার্গেট হিসেবে না না নিতে পারে , অবিলম্বে ওদের দমন করতে হবে ।

প্রয়োজনে পুলিশ ভাইদের কথা মত হামলাকারীদের দুই পায়ের সংযোগ স্থলের আড়াই ইঞ্চি নিচে গুলি করার অনুমতি দিয়ে আত্মরক্ষা করার সুযোগ দিতে হবে ।

১৯:৪২:০৯