ক্যাটেগরিঃ মুক্তমঞ্চ

হা হা হা ,” যার যেটুক ধারণ ক্ষমতা, তাকে দিতে হয় ঠিক ততটুকু। নাস্তিকতা, বা ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে ভাবার ক্ষমতা কি এই জাতির এখনো হইছে? তাই নিজে নাস্তিক হলেও নাস্তিকতার প্রচার করতে যাইয়েন না। ”

প্রিয় এক ব্লগার তার পোস্টে উপরের কথাগুলো লিখেছেন , মন্তব্য দিয়ে মন ভরবেনা আমার। তাই পোস্ট দিয়ে মন ভরালাম । চা তো চা, কফি তো কফি। কফি একটু কড়া না হলে মজা লাগেনা। কফির মত করেই বলি। আমরা এ সময়ে যাদের নাস্তিক বলছি, ওরা নাস্তিকতার পাঠও নেয়নি নাস্তিক হয়নি । ওরা জাস্ট পাঁঠা বা শুকরের মত ঘোঁত ঘোঁত করাটা রপ্ত করার পাঠ নিচ্ছে ।

নাস্তিকতারও একাডেমিক শিক্ষা পর্যাপ্ত না হলে পাঁঠার মত পাছা দিয়ে পাহাড় ঠেলতে হয় ।এ পাঁঠা গুলোর বয়স , শিক্ষাগত যোগ্যতা , আর্থ সামাজিক অবস্থান এবং কোথা থেকে সদ্য উঠে এসেছে, এর একটা ছক তৈরি করে বিশ্লেষণ করলেই দেখা যায়, এরা সত্যিকারের নাস্তিক নয়, এরা পাঁঠা। এরা যে বাবা মায়ের ঘরে জন্মেছে, সে বাবা-মা যে ধর্মের অনুসারি, সেই ধর্ম সম্পর্কেও ওদের বিন্দুমাত্র ধারনা নেই, এরা বেশির ভাগই পারিবারিক সামাজিক ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে থেকে বেড়ে ওঠেনি। জন্মগত ভাবে যে যেই ধর্মের অনুসারী, সেই ধর্ম সম্পর্কেই যার বিন্দুসম ধারনা নেই, ওরা কিভাবে নাস্তিক সেজে অন্য ধর্মের বিধি-বিধান নিয়ে ফাজলামো করতে পারে?

হায়েনারদের হাতে বর্তমানে যেসমস্ত পাঁঠা শুকরদের অকালে প্রাণ ঝরছে , ওরা প্রভুদের দেওয়া উচ্ছিস্ট খেয়ে অকালে বলির পাঁঠা হয়ে ঝরে পড়ছে । ওদের প্রভুদের যে খুব দরকার এদেশে আইসিস , আই এস , আল কায়েদার উপস্থিতি প্রমান করবার । প্রভুরা এ পাঁঠাদের সামনে পশ্চিমের এসাইলামের মূলা ঝুলিয়ে দিয়েছে , বাজার খরচা নগদ হাতে তুলে দিচ্ছে ।অনেক নাস্তিকতার অভিনেতাকে পরখ করে দেখবেন , শালাদের চাকুরী ব্যবসা কিচ্ছু নেই , দিব্বি আণ্ডা-বাচ্চাসহ ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মধ্য রাতের রংতামাশা সহ । দেখবেন দুএকটা পাঁঠা মূলা ধরলেও ধরতে পেরেছে । বাকিরা বলির পাঁঠা হচ্ছে ।

আমাদের প্রিয় এ দেশকে রক্ষা করতে হলে প্রথমে এই মুহূর্তে দরকার হচ্ছে মুক্তমুত মুখ দিয়ে বের করে যে শালারা নাস্তিকতার অভিনয় করছে সব কয়টাকে আগে সরকার পাঁঠার খোয়ারে নিরাপত্তা হেফাজতে আটকে রাখুক । তারপর এই পাঁঠাগুলোকে কাঁচা খেতে চেস্টা করা যতগুলো হায়েনা আছে সব গুলোকে একে একে ধরে বীভৎস দাঁত গুলো উপড়ে ফেলুক ।পাঁঠাগুলো বর্ণচোরা হলেও হায়েনা গুলোকে ধরা খুব সহজ হবে ।

এক কথা, এ জনপদকে পাঁঠা , শুকর এবং হায়েনামুক্ত করতে হবে । দেশটাকে আফগানিস্তান, ইরাক , সিরিয়া , ইয়েমেন , লিবিয়া হতে দেওয়া যাবেনা ।

ব্যানার নিয়ে বুদ্ধিজীবী তকমাওয়ালারা মানব বন্ধন করে এ সমস্যার সমাধান করতে পারবেনা। এই বুদ্ধিজীবীরাও আপাদমস্তক পশ্চিমা সাম্রাজ্যের কাছে বন্ধকীকৃত। এদেশটা বুদ্ধিজীবীরা পয়দা করেনি । ওরা রক্ষাও করতে পারবেনা । এদেশের জন্ম যাদের হাত ধরে তারাই পারবে এদেশটাকে রক্ষা করতে ।

পরিশেষেঃ-

নাস্তিকতার অভিনয় করার চেষ্টা যারা করছেন, আমার লেখা পাঁঠা এবং শুকর শব্দ দু’টি দয়া করে নিজেদের সাথে তুলনা করে মনে কষ্ট নিবেন না । শব্দ দুটি প্রতীকি অর্থে ব্যবহার করেছি। শালা শব্দটি আমরা স্ত্রীর ভাইকে বলে থাকি, গালি মনে করবেন না প্লিজ । ধন্যবাদ ।