ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান জনাব মিজানুর রহমান এবং আরো অনেক মানবাধিকার কর্মি , কিছু স্বঘোষিত প্রচার সর্বস্ব মানবাধিকার কর্মি ও সংগঠন ,আপনাদের কাছে একটা প্রশ্ন রাখার জন্য তিনদিন অপেক্ষা করলাম । প্রশ্ন ১।- সাগর , রুনি কে যখন তাদের শিশুপুত্র মেঘ এর সামনে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে , আপনাদের কি মনে হয় তখন মানবাধিকার লংঘিত হয়েছে ? নিকট অতীতে সিঙ্গাপুর প্রবাসী পিতার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ নেওয়ার পর মাত্র চার বছরের শিশু জিহাদকে তোয়ালে দিয়ে জড়িয়ে বুড়িগঙ্গা সেতু থেকে নদীতে ফেলে মেরে ফেলেছে , আপনাদের কি মনে হয় সেখানে মানবাধিকার লংঘিত হয়েছে ? ১৯৯৭ সালের ১মার্চ তৎকালিন পিজি হাসপাতালের ডাঃ, হাফিজুর রহমান কে নিজের বাড়িতে গুলি করে মেরে ফেলার পর গ্রেফতার হওয়া ১৬ জন আসামী ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি স্বীকারোক্তি দেওয়ার পরও চার্জশীট দাখিল হয়নি , বিচারতো দুরের কথা । আপনাদের কি মনে হয় এতে মানবাধিকার লংঘিত হয়েছে ? না , এখানে আপনারা নেই , কারণ এখানে আপনাদের কোন স্বার্থ নেই ।এ সব ঘটনায় আপনাদের কোন রা শব্দটি নেই। আজকের প্রথম আলোর ১২ তম পৃষ্ঠায় শাহদীন মালিক লিখেছেন ,উনি নাকি র‍্যাব এর দেশে বসবাস করছেন। আপনাদের আইন বানিজ্যে ঘাটতি পড়েছে তাই এত খেদ । আপনারা কোনদিনও সাধারণ মানুষের মনের কথা বুঝবেন না । আপনাদের বসবাস সাধারন মানুষের গন্ডির বাইরে । সাধারন মানুষ ভালই বুঝে গিয়েছিলো , র‍্যাব না থাকলে এই দেশ সোমালিয়া – ইথিওপিয়া হয়ে যেত এতদিনে । আপনাদের আইন বানিজ্য হতো রমরমা । র‍্যাবের কিছু ভুল ত্রুটি ধরে দেশের জন্য আশির্বাদ । ৯৫% ক্রসফায়ার মানুষের মনে স্বস্তি এনে দিয়েছে । এলাকাভিত্তিক জরিপ করে দেখুন প্রতিটি এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী এনকাউন্টারে পড়ার পর মানুষ হাফ ছেড়ে বেচেছে ।

সাধারণ জনগনের মানবাধিকার তখনই নিশ্চিত হবে ,যখ্ন সকল সন্ত্রাসী নিধন করা হবে কঠিনতর শাস্তি দিয়ে।এটা আমেরিকা , ইংল্যান্ড নয় ।মূর্খ দের কাছে মানবাধিকার এর কোন অর্থ নেই ।আপনাদের স্ট্র্যাটেজি বদলে খুনীদের পক্ষ ত্যাগ করুন , নিপীড়িতের পক্ষ নিন। একচেটিয়া র‍্যাবের কাজের বিরোধিতা না করে ,যদি কোন নিরিহ মানুষ ক্ষতিগ্র্স্ত হয় ,চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখান । তা না হলে এক সময় সমস্ত দেশবাসি আপনাদের বিরুদ্ধে চলে যাবে , আপনাদের এই তথাকথিত মানবাধিকারের মুখোশ উন্মোচন করবে । ধন্যবাদ ।