ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

দেশের শিক্ষার মূল চালিকা শক্তি বেসরকারি শিক্ষকরা। তাদের বেতন-ভাতা সুযোগ -সুবিধা নিয়ে রাজনীতি করা হয় এটা কাম্য নয়। তাদের মাস গেলে জীবিকার ব্যবস্থাটা এখন সরকারই শতভাগ পুরণ করছেন। অন্যান্য চাকুরিজীবীরা মাস শেসে নির্দিষ্ট তারিখে বেতন পেয়ে সম্মানের সাথে বেৎচে-বর্তে আছে এই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেও। বেসরকারি শিক্ষকদেরো বাল-বাচ্চা আছে – আছে সমাজে ন্যুনতম সম্মানও। অনেক প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরও এবং মাঝে মাঝে কার্যকর করার পরও হঠাৱ করেই নির্দিষ্ট তারিখে বেতন উধাও। তারা ক্লাসে পাঠদানের চাইতে করুণার দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকেন পত্র-পত্রিকার দিকে – কবে তাদের বেতন ছাড়া হবে। আর কবে তাদের বেতন সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখায় পৌঁছাবে সেদিকে। এর পিছনে অজুহাত আছে বটে কিন্তু সে অজুহাত কেন শিক্ষকদের বেলায় হয়, অন্য চাকুরিজীবীদের ক্ষেত্রে হয় না? গত কয়েক মাস বেতন মাসের সাত তারিখের মধ্যে এসেছে। এবার মাসের ১২ তারিখ অতিক্রান্ত হলো অথচ এখন বেতনের চেক সই করার খবর পাওয়া গেল না। কেউ একজন বলেন, আমি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষকদের চাকুরি জাতীয় করণ করে দেব। আবার কেউ একজন বলে রেখেছেন, আমরা শিক্ষকদের আলাদা বেতন স্কেল ঘোষণা করবো। বেসরকারী শিক্ষকদের নিয়ে আপনারা যে যাই পারেন করুন কিন্তু তাদের বেতনটা নির্দিষ্ট তারিখে সময় মতো দেওয়ার একটা ছোট্র আইন অন্তত করুন।