ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক শাস্তি দেবার প্রথা বন্ধ করার স্বার্থে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেছে। এটা নিঃসন্দেহে ভাল একটি উদ্যোগ। পরিপত্রে শিক্ষার্থীদের উপর শাস্তি হিসেবে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবেনা তা উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে। শুধু শারীরিক শাস্তিই নয় কোন প্রকার মানসিক আঘাত প্রদানকারী কথা বা অঙ্গভঙ্গিকেও পরিপত্রে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একে ফৌজদারি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিপত্রে উল্লেখিত শাস্তির তালিকায় রয়েছে: শিক্ষার্থীদের হাত-পা বা কোনো কিছু দিয়ে আঘাত বা বেত্রাঘাত, চক বা ডাস্টার-জাতীয় বস্তু ছুড়ে মারা, আছাড় দেওয়া ও চিমটি কাটা, চুল টানা বা কেটে দেওয়া, হাতের আঙুলের ফাঁকে পেনসিল চাপা ও মোচড় দেওয়া, ঘাড় ধাক্কা দেওয়া, কান টানা বা ওঠ-বস করানো, চেয়ার, টেবিল বা কোনো কিছুর নিচে মাথা দিয়ে দাঁড় করানো বা হাঁটু গেড়ে দাঁড় করে রাখা, রোদে দাঁড় করে বা শুইয়ে রাখা কিংবা সূর্যের দিকে মুখ করে দাঁড় করানো এবং শ্রম আইনে নিষিদ্ধ কোন কাজ শিক্ষার্থীদের দিয়ে করানো।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বলা হয়েছে ‘শিক্ষক শিক্ষার্থীর শরীরের কোথাও কামড় দিতে পারবেন না’। তবে কী শিক্ষকরা হিংস্র জন্তু জানোয়ার? শ্বাপদ? হতভাগা দেশ! শিক্ষকদের এভাবে অপমান না করলে কী চলতো না।