ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

এখন কী বলবেন খালেদা জিয়া! কী বলবেন তার হবু মহাসচীব মীর্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর! প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন অভিযোগ করলেন বেগম খালেদা জিয়া আইএসআই এর টাকা নিয়ে ১৯৯১ সালে নির্বাচন করেছেন তখন জনাব আলমগীর বলেছিলেন, এটা বানানো গল্প। দিন দুয়েক আগেও তিনি সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন, আইএসআই এর কাছ থেকে টাকা নেয়ার প্রমাণ থাকলে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করুণ। কিন্তু শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে তা করতে হয়নি। আইএসআই এর সাবেক প্রধান আসাদ দুররানী নিজেই তা স্বীকার করেছেন সেদেশের সুপ্রিম কোর্টের কাছে। আমাদের দেশের বাংলানিউজ সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে এই দুররানীর এই স্বীকারোক্তির কথা।

ভারতপন্থী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে পাকপন্থী বিএনপিকে ৫০ মিলিয়ন রুপী দিয়েছিল তার সংস্থা আইএসআই। কী উদ্দেশ্য ছিল তাদের? উদ্দেশ্যের কথাও জানিয়েছেন আসাদ দুররানী। বিএনপির শাসনামলেই পাকস্তানী এই গুপ্তচর সংস্থাটি সবচেয়ে বেশি সুযোগ পায় এদেশে তার অশুভ তৎপরতা চালাবার। এদেশের মাটিকে ঘাটি করে ভারতের বিচ্ছিন্নতা আন্দোলনে মদদ দেবার জন্যই তাদের এই মোটা অংকের টাকা খরচ।

কী বিস্ময়কর! সে টাকা নিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া ও তার দল বিএনপি। কী নির্লজ্জ! যে দেশ এদেশের মাটিকে বিদীর্ণ করেছে তার বুটের আঘাতে, চুষে খেয়েছে এদেশের সাধারণ মানুষের রক্ত, সেদেশের অর্থেই তিনি ক্ষমতায় আসার পথকে মসৃন করেছেন! আর কত কী জানতে হবে এই অভাগা জাতিকে! যে খালেদা জিয়া তার প্রতিটি জনসভায় চিৎকার করেন দেশ গেলো বলে সেই তিনি অর্থ নিয়েছেন বাঙালীর ঘাতকদের কাছ থেকে। এ লজ্জা আমরা রাখবো কোথায়?

কী করবেন এখন তিনি? অভ্যাসমত ট্যাক্স দিয়ে জায়েজ করে নেবেন ঐ পাপের অর্থ! কত টাকা ট্যাক্স দিলে সাদা হবে ঐ কালো টাকা! নাকি আবারো বলবেন, এটা ডাহা মিথ্যা কথা। ট্যাক্স দিয়ে কালো টাকাকে সাদা করা যায় কিন্তু চরিত্র কালো হয়ে গেলে ট্যাক্স দিয়ে কী সেটাকেও সাদা করা যায়!