ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

 

অনেকেই বলতে শুনি খেলার মধ্যে রাজনীতি কেন? এইসব ব্যক্তিবর্গের রাজনৈতিক দর্শন কি? কেন এরা এটা বলে থাকে।
বিএসএফের গুলিতে নিহত নিথর ফেলানীর ঝুলানো লাশের ছবি নিয়ে কালকে অনেকেই স্টেডিয়ামে নিয়ে যেতে চাইছিলো।
(শোনা যাচ্ছে এই ভয়েই সরকার স্টেডিয়ামে প্লেকার্ড নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ করছে প্রভ্যুদের খুশী রাখতে)
আর অমন একশ্রেনীর সুশীলেরা সরব হয়ে উঠল, প্রশ্ন, খেলার মধ্যে রাজনীতি কেন? ব্লগেও অনেক নিরপেক্ষ প্রানীরাও বলে উঠলো খেলাতে রাজনীতি কেন??? তাইতো খেলাতে রাজনীতি কেন+

গতকালের উদ্বোধনী অনুষ্টানে আওয়ামী লীগের দলীয় শ্লোগান শোনা গেল, অথচ সরব সুশীল-নিরপেক্ষধারী এবার কিন্তু নীরব।
কেন এরা নীরব_?? কারন এরা সাধারনত নিরপেক্ষতা মুখোশে আওয়ামী লীগের রাজনীতির লালন পালন করেই চলেছে সেই ৭০এর পর থেকে। এখন এদের মুখ উন্মোচিত হচ্ছে দেশবাসীর কাছে, আর এরা ততই রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফেরাওয়ালীতে রুপ নিচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে ভারতে পালিয়ে যান আওয়ামী নেতাদের পরিবার। মুক্তিযুদ্ধের পরেই এরা আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী হয়ে পড়লেন! কথিত, শেখ মুজিবের পরিবারও পাকিস্তানের ভাতা পেত।

যারা কথায় আওয়ামী রাজনীতির চিন্তা ভাবনা করেন, তারা যে উদ্বোধনী অনুষ্টানেও আওয়ামী রাজনীতির লালন পালন করবে তা স্বাভাবিক।

আজকে মিশরে লাখো লাখো লোক শুক্রবারের জুমআ পড়ে তাদের বিজয় দিবস পালন করছে, অথচ আওয়ামী লীগ এই জাতীয় কর্মকান্ডকে মৌলবাদী বা জংগীবাদী হিসাবে গন্য করে। কারন, শোনা যাচ্ছে, অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে মাইকে আজান দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছিলো।

এই জাতীয় মুনাফেকী আচরণ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়, বলেই অনেকে ধারনা করে থাকে।