ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

গুম, হত্যা – এই সব মানবাধিকার বিরোধী অপরাধগুলো বর্তমান সরকারসহ বিগত সরকারের সময়েও ঘটেছে। গুম- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, এটা কবে নাগাদ বাংলাদেশে শুরু হয়েছে এই নিয়ে বিস্তর আলোচনা, সমালোচনা করার অনেক সময় আছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে এই সন্ত্রাসের বিস্তার ঘটেছে পূর্ববর্তী সরকারগুলো থেকে ভিন্ন। বিগত বিএনপি আমলে গুমের ঘটনা ঘটেছে তাই এখন আর কেউ হরতাল দিতে পারবে না- এই ভাষ্য পাপিষ্ট আওয়ামী লীগ নামক ফ্যাসিষ্ট দলের। এই দলের সমর্থক গোষ্ঠীর ভাষা – হরতাল কেন? হরতালে দেশের অর্থনীতিতে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, ইত্যাদি শব্দমালার নীতি কথা এদের মুখ থেকে অনবরত নির্গত হয়, ব্লগগুলো ভরে উঠে হরতালের বিকল্প খোজার বায়বীয় অনুরোধে। এই হরতাল কালচারটা শুরু করেছে কে? এই প্রশ্নটা এড়িয়ে যেতে চায় এই চানক্য গ্রুপের সদস্যবৃন্দ।

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লাগাতার হরতালের বিকল্প পথ এখন আর বাংলাদেশে নেই। কারন, বিকল্প ভাষা বোঝার ক্ষমতা নেই বর্তমান আওয়ামী লীগের। বিএনপি বা প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে তাদেরকে হরতাল ডাকতে হবে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বা গুমের বিরুদ্ধে – তারা যদি না করে, এটাকে ক্ষমতায় যাবার একমাত্র সিড়ি ভাবে তবে জনগনের কাছ থেকে সেইরকম সাড়া পাওয়া সম্ভব নয়।

পাপিষ্ঠ আওয়ামী লীগ বিরোধীপক্ষ সমূহকে নির্মূল করার হাতিয়ার হিসাবে বর্তমান সময়ে গুমকে বেছে নিয়েছে তার নতুন মারণাস্ত্র হিসাবে। আমেরিকার হিলারী ক্লিন্টন কিংবা ভারতে প্রণব বাবু আসছেন বাংলাদেশে তাদের নিজস্ব এজেন্ডা নিয়ে, দেশে গনতন্ত্র বা মানবাধিকার ভুলুণ্ঠিত হচ্ছে কিনা তা দেখতে নয়। তাই তাদের কাছে বর্তমান সরকারের অমানবিক কর্মকান্ড তুলে ধরে কোন লাভ হবে না। দেশের জনগনকে সাথে নিয়ে বিরোধী দলগুলোকে রাজনীতি করতে হবে। এবং এই রাজনীতি দেশের জনগনের জন্যে, নতুবা হিতে বিপরীত ঘটনাও ঘটতে পারে ।