ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আমাদের মত দেশগুলোকে ৩য় বিশ্বের দেশ হিসাবে বা উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে বিশ্বে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এই সব তথাকথিত ৩য় বিশ্বের দেশের জনগনকে গিনিপিগ হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। এটা অনেকেই বুঝে, কিন্তু ব্যক্তিস্বার্থের কথা ভেবে এরা চুপ থাকেন। এই পদের শ্রেনী চরিত্র কেমন তা এখানে আলোচনার জন্য এই লেখা নয়। এখানে জনগন বা গিনিপিগ কিংবা সাধারন জনগনের চরিত্র কিছুটা তুলে ধরারও চেষ্টা থাকবে। বিষয়টি বাংলাদেশের ভুখন্ডে সীমাবদ্ধ করলে সংখ্যাগরিষ্ট জনগন আমরাও ৩য় বিশ্বের মানসিকতা থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে পারেনি।

৩য় বিশ্বের মানসিকতা বলতে আসলে কি বুঝাইতে চাইছি তারও আলোচনা বিস্তর, তবে কিছুটা মৌলিক বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে, যেমন কথায় কথায় বিদেশী পন্যকে নিজ দেশের পন্যের চেয়েও ভালো ইত্যাদি বলা, চলে বদলে যায় ইত্যাদির শ্লোগানে দেশীয় মুল্যবোধের চেয়ে ৩য় বিশ্বের মানসিকতার গঠন পক্রিয়ায় তৈরী হয়।

এর আগেও আমি বলেছি, দেশীয় স্বাধীন রাজনীতি ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু একশ্রেনীর বদলে যাওয়া অতি সচেতন যুব সমাজ আজকাল রাজনীতি পছন্দ করেন না বলে ফেসবুকের স্টাটাস লিখে রাখেন।

এই সুযোগে আমাদের মত দেশের সরকার গঠনে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদগোষ্ঠিগুলো তাদের স্বার্থ বুঝে নেয়। এরা আমাদের সমাজে পুজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার ভোগবাদী উপাদান ছড়িয়ে নিজদেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। আর এদের এহেন কাজে সহায়তা করেন আমাদের কমিশন খাওয়া সরকারের মন্ত্রীরা বা সরকার নিজেই।

সমুদ্র বন্দর, নৌ বন্দর ইত্যাদি সহ তেল-গ্যাস বা কয়লা খনিগুলো দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করে বিদেশী হাতে তুলে দেবার যে হিড়িক চলছে এই আওয়ামী সরকারের আমলে তা আজকাল সকল গিনিপিগেরাই জানে। খবরে প্রকাশ, আশুগঞ্জে ইন্ডিয়ার ভারী ভারী মেশিনারি এসেছে, বাংলাদেশ ভুখন্ড এরা এখন পার হবে আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লেবাসে। এই নীতির বিরুদ্ধচারন রাজাকারের সমার্থক বলে আগেই টাকা ছিটিয়ে করে রাখা হয়েছে। কাজেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর কাছে বর্তমান আওয়ামী সরকারই হলো পছন্দণীয়। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর বন্ধু ডক্টর ইউনুস সাহেবের বিরুদ্ধে তবে কিসের নেশাতে আওয়ামী সরকার পিছনে নেমেছে তার কারন গভীর। তবে কি শেখ হাসিনাকে ইতিমধ্যেই চিবিয়ে শুষ্ক আগাছা বানিয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো তাঁকে ছুড়ে ফেলতে চাইছে ?