ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, মে ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী দুই নেতা।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সোমবার সংসদে ইব্রাহিমকে সৎ লোক অভিহিত করে তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

ইব্রাহিম খালেদের বিরুদ্ধে মামলা সংসদ বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেন সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে ধস তদন্তে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান ছিলেন ইব্রাহিম খালেদ। গত ৭ এপ্রিল সরকারকে প্রতিবেদন দেয় কমিটি। ৩০ এপ্রিল তা হুবহু প্রকাশ করে সরকার।

গত ১৯ মে হাইকোর্টের এক আইনজীবীর করা রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ইব্রাহিম খালেদের ‘দুর্নীতি’ তদন্তের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে জানতে চায়।

তদন্ত কমিটির কর্মপরিধির বাইরে কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তার বক্তব্য কেন এখতিয়ার বহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চায় আদালত।

‘মামলা খুবই দুঃখজনক’

অর্থমন্ত্রী বলেন, “ইব্রাহিম খালেদ স্বনামধন্য লোক। তিনি ভালো একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তবে কয়েকটি অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলেছেন- এটা ভালো হয়নি। তার সুপারিশ বাস্তবায়নের কাজ চলছে।”

ইব্রাহিম খালেদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনায় সরকার সহায়তা করে যাবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

মুহিত বলেন, “তদন্ত কমিটি প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া খুবই দুঃখজনক। তাকে সরকার সবসময় আইনি সহায়তা দিয়ে যাবে। উনার বিরুদ্ধে যতবড় লোকই হোন না কেন, সে মোকদ্দমা চালিয়ে যাব আমরা।”

‘মামলা সংসদ বিশ্বাস করে না’

অর্থমন্ত্রীর পর পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনায় অংশ নেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

তিনি বলেন, সংসদের সবাই জানেন ইব্রাহিম খালেদ সৎলোক। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে মান হানির মামলা হতে পারে- তা এ সংসদ বিশ্বাস করে না।

অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সুরঞ্জিত বলেন, “সর্ষেতে ভূত খোঁজেন। কোথায় দরবেশ, কোথায় ইমাম, কোথায় মুয়াজ্জিন- এগুলোকে খোঁজেন। সর্ষের মধ্যে ভূত রয়েছে।”

মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সুরঞ্জিত বক্তব্য দেন। এসময় ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।

রাত ৮টা ১০ মিনিটে সংসদ অধিবেশন আগামী ৩০ মে বিকাল ৫টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমএইচসি/পিডি/২১১০ ঘ.