ক্যাটেগরিঃ bdnews24

 

ঢাকা, মে ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিভিন্ন কর্মসূচিতে পালিত হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১২তম জন্মবার্ষিকী।

এ উপলক্ষে বুধবার থেকে ঢাকাসহ দেশের চারটি এলাকায় কবির স্মৃতি বিজড়িত স্থানে সরকারি উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হচ্ছে।

সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবির সমাধিতে ফুল দেন কবি পরিবারের সদস্যরা। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ফুল দেয় কবির সমাধিতে।

রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান বেলা সাড়ে ১১টায় ময়মনসিংহের ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানমালা উদ্বোধন করবেন।

বিদ্রোহী কবি নজরুল ১৮৯৯ সালের ২৫ মে (বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জৈষ্ঠ্য) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে অসুস্থ কবিকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর বিশেষ সমাবর্তনের মাধ্যমে তাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লেটার্স (ডিলিট) ডিগ্রি দেয়।

১৯৭৬ সালে কবিকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়। সে বছরের ২৯ অগাস্ট তৎকালীন পিজি হাসপাতালে প্রয়াত হন মানবতা ও বিদ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলাম। জাতীয় মর্যাদায় কবিকে সমাহিত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের উত্তরপাশে।

নজরুলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, নজরুল সমাজের শৃঙ্খল ভেঙে নারীর মর্যাদাকে তুলে ধরেছেন, ধর্মের ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে মানবতাকে স্থান দিয়ে তার জয়গান গেয়েছেন।

আলাদা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কালজয়ী প্রতিভার অধিকারী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা, প্রেম, তারুণ্য ও দ্রোহের কবি। তার শিকল ভাঙার গানে সে সময়কার ঝিমিয়ে পড়া বাঙালি সমাজ জেগে উঠেছিল। তার সাহিত্যকর্ম মানব অনুভূতির গভীরে প্রোথিত হয়ে নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের মুক্তির জন্য বিশ্ববিবেককে নাড়া দিয়েছিল।

মুক্তিযুদ্ধে কবির প্রেরণাদায়ী রচনার ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার কবিতা ও গান যেমন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে এ উপমহাদেশের মানুষকে উজ্জীবিত করেছিল, তেমনি পাকিস্তানের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষকেও অনুপ্রাণিত করেছিল প্রবলভাবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমএমআর/এমআই/১০৪০ ঘ.