ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, মে ২৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বাংলাদেশে আদিবাসীদের স্বীকৃতি না দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার পৃথিবীর সেসইব স্বল্প সংখ্যক সরকারগুলোর একটি যারা নিজেদের সীমানায় আদিবাসীদের অস্তিত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করে।

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরামের (ইউএনএফপিআইআই) ১০ম অধিবেশনে রাজা দেবাশীষ ১২ আদিবাসী সদস্যবিশিষ্ট একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ইউএনএফপিআইআই’র আরেক সদস্য মেগান ডেভিস বলেন, বাংলাদেশ, কেনিয়া, নিউজিল্যান্ড, গায়ানা ও অস্ট্রেলিয়া তাদের সংবিধানে আদিবাসী জনগণের স্বীকৃতি দেয়নি।

শুক্রবার ১২ দিনের এই সম্মেলন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেবাশীষ বলেন, ‘উপজাতি’ শব্দটি আদিবাসীদের জন্য অবমাননাকর ও ভুল শব্দ।

তিনি বলেন, সরকার অন্য শব্দ ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু তাতে আন্তর্জাতিক আইন পাল্টাবে না।

এ সেশনে জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সচিব ইকবাল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই।

“শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার কোনো অধিকার ফোরামের নেই।”

তিনি বলেন, ফোরামের সদস্যরা ‘উপজাতি’ বা ‘ক্ষুদ্র জাতিস্বত্ত্বা’ শব্দগুলোর জায়গায় ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার করতে চাইছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই।

ইকবাল আহমেদ জানান, সরকার এই প্রথমবারের মতো ক্ষুদ্র জাতিস্বত্ত্বার জনগণের সাংবিধানিক স্বীকৃতির বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।

সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর আগে রাজা দেবাশীষ চান আদিবাসীদের স্বীকৃতির বিষয়টিও সামনে আসুক।

বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠনও সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সাথে বিভিন্ন সময় দেখা করে সাংবিধানিক স্বীকৃতির ব্যাপারে তাদের বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ ধরনের আলোচনা বিগত সংশোধনীগুলোর ক্ষেত্রে হয়নি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিকেএস/পিএনবি/পিডি/২৩২৩ ঘ.