ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, জুন ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আহম মুস্তফা কামালের মতে, কালো টাকা দুই রকম- বেআইনি আর অনৈতিক। কেবল ‘একটি পর্যায়’ পর্যন্তই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ সমর্থনযোগ্য বলে মনে করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে স্থায়ী কমিটির সভা শেষে মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের জানান, আগামী অর্থবছরের বাজেটে বন্ডের পাশাপাশি পুঁজিবাজারেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

কালো টাকার কারণে আদালত আরাফাত রহমান কোকোকে কারাদণ্ড দেওয়ার পরও সংসদীয় কমিটি কেন এ সুপারিশ করছে- এমন প্রশ্নের জবাবে মুস্তফা কামাল বলেন, “কোকোর বিষয়ে আমি কোনো কথা বলব না। বিরোধী দলীয় নেত্রীও এর আগে কালো টাকা সাদা করেছেন।”

এ সময় কালো টাকার বিষয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গিরও ব্যাখ্যা দেন ক্ষমতাসীন দলের এই সংসদ সদস্য।

“কালো টাকা দু’রকম হয়। একটা বেআইনি, আরেকটা অনৈতিক। একটা জায়গায় পৌঁছানোর যাওয়ার পর কোনোটাই সমর্থনযোগ্য না।”

অবৈধ উপায়ে অর্জিত ৯ লাখ ৩২ হাজার ৬৭২ মার্কিন ডলার এবং ২৮ লাখ ৮৪ হাজার ৬০৪ সিঙ্গাপুরি ডলার সিঙ্গাপুরে পাচারের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। একই সঙ্গে আর্থিক জারিমানাও করা হয়েছে তাকে।

কোকোর অনুপস্থিতিতেই ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মোজাম্মেল হোসেন বৃহস্পতিবার এই রায় দেন।

২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে সরকারি ট্রেজারি বন্ডে ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হলেও পুঁজিবাজারে এ সুযোগ রাখেননি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। চলতি অর্থবছরেও এ সুযোগ ছিল না।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুহিত তার প্রথম বাজেটে (২০০৯-১০) পুঁজিবাজারসহ চারটি খাতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ওই অর্থবছরে প্রায় ৪২৩ কোটি ‘কালো’ টাকা পুঁজিবাজারে খাটানো হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/এসএসজেড/জেকে/১৮৪৫