ক্যাটেগরিঃ bdnews24

 

ঢাকা, জুলাই ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় তারেক রহমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগামী ১১ অগাস্ট দাখিল করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন নির্ধারিত দিন মঙ্গলবার দাখিল না হওয়ায় ঢাকার মহানগর দায়রা জজ জহুরুল হক নতুন করে এ তারিখ ঠিক করেছেন।

গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক মামলায় গত ১৪ জুলাই এ বিচারকই খালেদা জিয়ার ছেলেসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

এর আগে গত ৩ জুলাই দুই মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হত্যামামলায় ১৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর সাবেক তিন পুলিশপ্রধান মো. আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদা বখশ চৌধুরী এবং সাবেক তিন তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ, মুন্সী আতিকুর রহমান, মো. রুহুল আমিন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

আসামিদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ৩০ জনকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুর রহমানও হাজিরা দেন।

তারেক ছাড়া পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- খালেদার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সংসদ সদস্য শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফ, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এটিএম আমিন প্রমুখ।

২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং কয়েকশ’ লোক আহত হন। এতে শেখ হাসিনার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় এ মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কয়েকজন তদন্ত কর্মকর্তার হাত ঘুরে সেনা সমর্থিত বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৮ সালের ১১ জুন সিআইডি কর্মকর্তা ফজলুল কবীর ২২ জনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে রাষ্ট্র্রপক্ষের আবেদনে ২০০৯ সালের ৩ অগাস্ট আদালত অধিকতর তদন্তের আদেশ দেয়। এরপরই সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার কাহহার আকন্দ মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পান।

গত ৩ জুলাই হত্যা মামলায় একটি এবং বিস্ফোরক মামলায় আরেকটি অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন। নতুন ৩০ জনসহ দুই মামলায় মোট আসামির সংখ্যা এখন ৫২ জন।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপির অভিযোগ, দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেককে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।

ডজনের বেশি মামলার আসামি তারেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে আমলে জামিনে মুক্তির পর লন্ডনে যান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিবি/এমআই/১২৫৮ ঘ.