ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, অগাস্ট ১১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- হাইকোর্টে হট্টগোলের মামলার আসামি বিএনপি সমর্থক আরেক আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে সংসদ সদস্য সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়াসহ তিন জন গ্রেপ্তার হলেন।

হাইকোর্ট আইনজীবীদের জামিন আবেদন নাকচ করার পর বৃহস্পতিবার ভোররাতে এম ইউ আহম্মেদ নামে এক আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ভোররাতে সেগুন বাগিচার বাসা থেকে এম ইউ আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ৩ অগাস্ট আদালতে হট্টগোলের ঘটনায় যে দুটি মামলা হয়, তার প্রথমটির আসামি আহম্মেদ। এ মামলায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

একই মামলার দুই আসামি সংসদ সদস্য পাপিয়া ও আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম ৪ অগাস্ট গ্রেপ্তার হন। তারা এখন কারাগারে রয়েছেন।

আহম্মেদসহ অন্য আইনজীবীরা হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করলেও বুধবার তা খারিজ হয়।

গত ৩ অগাস্ট হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে সংবিধান ছুড়ে ফেলা নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে করা একটি আবেদনের শুনানি হয়। সেখানে খালেদা জিয়ার একই ধরনের উক্তির প্রসঙ্গে আদালত তার দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুললে হট্টগোল বাঁধে ও হাতাহাতি হয়।

এরপর পুলিশ বাদি হয়ে দুটি মামলা করে। প্রথম মামলায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং মারধরের অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলায় আসামিরা হলেন- পাপিয়া, কামরুল ইসলাম সজল, শরীফউদ্দিন আহমেদ, সহিদুজ্জামান, মির্জা আল মাহমুদ, মাহমুদ আরেফিন স্বপন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, এনামুল হোসেন গাফফার, এম ইউ আহম্মেদ, মোহাম্মদ আলী, মো. আশরাফুজ্জামান খান, তৌহিদুল ইসলাম, গোলাম নবী, রেজোয়ান আহম্মেদ।

ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক এসএম জলিল পরে তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে অন্য মামলাটি করেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ আলী, গোলাম মো. চৌধুরী, মির্জা আল মাহমুদ, মো. আশরাফুজ্জামান খান, এ বি এম অলিউর রহমান, মাহমুদ আরেফিন স্বপন, কামরুল ইসলাম সজল, এনামুল হোসেন গাফফার, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ।

এদের মধ্যে গোলাম মো. চৌধুরী ও অলিউর রহমান ছাড়া বাকি সাতজনই আদালতে হট্টগোলের মামলার আসামি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এলএইচ/এমআই/১০৫৫ ঘ.