ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, সেপ্টেম্বর ১৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ঢাকার মেট্রো রেল প্রকল্পের রুট পরির্বতন বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

রুট নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রণালয়ে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিমানবাহিনীর বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

প্রস্তাবি রুট একবার সংশোধনের পর এতে আপত্তি জানায় বিমানবাহিনী। এ নিয়ে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।

মঙ্গলবারের বৈঠকে যোগাযোগমন্ত্রী ছাড়াও জাইকা সদরদপ্তরে পরিচালক তোমোহিদে ইচিগুচি, বিমানবাহিনী প্রধান জিয়াউর রহমান খান, প্রকৌশলী জামিলুর রেজা চৌধুরীসহ সংশি¬ষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, “বিমানবাহিনীর বিকল্প প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- রোকেয়া স্মরণী থেকে খামারবাড়ী হয়ে ফার্মগেইট। এটা করতে হলে খামারবাড়ির একটি ভবন ভাঙতে হবে অথবা ৪০ থেকে ৫০ মিটার সংসদের বাগানের মধ্যে প্রবেশ করতে হবে।”

“এছাড়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একটি টোল প্লাজা খামারবাড়ীর ওইখানে থাকবে। তাই এদিক দিয়ে মেট্রো রেল নিতে গেলে তাদেরও অনুমুতি নিতে হবে।”

সংসদের মধ্যে দিয়ে গেলে মূল নকশা নষ্ট হবে কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “এটা লুই আই কানের একটি মাস্টার প্ল্যান। এটা এখন সরকারের সিদ্ধান্ত।”

পল্ল¬বী থেকে চন্দ্রিমা উদ্যানের সামনে বিজয় স্মরণী হয়ে ফার্মগেট-শাহবাগ-তিন নেতার মাজার-প্রেসক্লাব হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত নতুন রুট নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিমানবাহিনী পুরাতন বিমান বন্দর থেকে তাদের বিমান উড্ডয়নে সমস্যার কথা বলে এ রুটে আপত্তি দিয়েছে। তারা রোকেয়া স্মরণি থেকে এ রুট সরাসরি খামারবাড়ি হয়ে ফার্মগেট নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

প্রতিশ্র”ত এ প্রকল্পে অর্থায়নকারী সংস্থা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) রুট বিষয়ে এক মাসের মধ্যে মতামত দিতে বলেছে। না হলে ১৭০ কোটি ডলারের অর্থ সহায়তা আরো একবছর পিছিয়ে যাবে।

জাইকা সদর দপ্তরের পরিচালক তোমোহিদে ইচিগুচি সোমবার সকালে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের সঙ্গে দেখা করে এ কথা বলেন।

আবুল হোসেন সেদিন বলেন, “গত ফেব্র”য়ারি মাসেই জাইকার পক্ষ থেকে একটি রুট চূড়ান্ত করা হয়েছিলো। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের আপত্তি এবং বেসরকারি জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন দেখা দেওয়ায় কাজটি বাস্তবায়নে নতুন করে সমীক্ষা করতে বলা হয়েছিলো। জাইকা এ সমীক্ষা শেষ করে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

“এ প্রতিবেদনের ব্যাপারে আগামী এক মাসের মধ্যেই সরকারের মতামত দিতে বলা হয়েছে। কারণ এ মতামতের ভিত্তিতেই জাইকা প্রতিশ্র”ত ঋণ সহায়তার মঞ্জুরি অনুমোদন করবে। একমাসের মধ্যে অনুমোদন হলে তা দ্রুত অনুমোদন করা হবে। অন্যথায় আরো বেশি সময় লাগবে।”

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/পিডি/২২০৮ ঘ.