ক্যাটেগরিঃ bdnews24

 

ঢাকা, অক্টোবর ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন হলে যে কোনো ‘সহিংস পরিস্থিতি’র সব দায় সরকারের ওপর বর্তাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক শীর্ষনেতা।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন মঙ্গলবার এক আলোচনা সভায় ওই মন্তব্য করেন।

নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের জন্য সরকারকে দায়ী করে তিনি বলেন, “এ নিয়ে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। এভাবে তিনি দেশকে অস্থিতিশীল ও নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।”

বর্তমান সরকার ‘গায়ের জোরে’ একতরফা নির্বাচন করলে রাজনৈতিকভাবে প্রতিরোধ করা হবে বলেও মন্তব্য করে মোশাররফ বলেন, “নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল করে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।”

একই সঙ্গে সরকারকে ‘এক তরফা’ নির্বাচনের পথ থেকে সরে আসার আহবানও জানান তিনি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা সর্বোচ্চ আদালত এবং পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে ইতিমধ্যে বাতিল হয়েছে। তবে এ ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোল করছে বিএনপি।

সংবিধান সংশোধনীর ফলে আগামী জাতীয় নির্বাচন দলীয় সরকারের নেতৃত্বে হওয়ার কথা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার দলীয় অবস্থান তুলে ধরে খন্দকার মোশাররফ বলেন, “কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। আমাদের নেত্রী গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন।”

“১৯৭৩ সালেও একতরফা নির্বাচন করেছিলো আওয়ামী লীগ। কিন্তু ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। একতরফা নির্বাচনের জন্য ৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদেরও পতন হয়েছিলো।”

জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ও নাগরিক ভাবনা’ শিরোনামে এ আলোচনা সভা আয়োজন করে নাগরিক অধিকার সোসাইটি। আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাজী আবদুস সামাদ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএম/পিডি/১৮৩৬ ঘ.