ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, নভেম্বর ১৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- যমুনা টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধের আদেশকে বৈধতা দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অংশ বিশেষ মঞ্জুর করেছে আপিল বিভাগ।

বুধবার সকালে প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই রায় দেন। প্রধান বিচারপতি এজলাসে এসে বলেন, ‘আপিল ইজ অ্যালাউড ইন পার্ট’।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই-রাকিব বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমক বলেন, “আপিলের কোন অংশটি মঞ্জুর করা হয়েছে তা বোঝা যাবে বিস্তারিত রায় পাওয়ার পর।”

তিনি জানান, হাইকোর্টের রায়ে যমুনা টিভির সম্প্রচার বন্ধে বিটিআরসির সিদ্ধান্তকে বৈধতা দেওয়া হয়। পাশাপাশি যমুনা টিভির মালামাল জব্দ করার বিষয়টিও আইনগতভাবে হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

“এই রায়ের বিরুদ্ধে যমুনা টিভি আপিল করেছিলো। আপিল বিভাগ তাদের আবেদনের অংশ বিশেষ মঞ্জুর করেছে।”

যমুনা টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধ এবং তরঙ্গ বাতিলকে বৈধতা দানকারী হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষ হয় গত ২৬ অক্টোবর। ওইদিন জানানো হয়, ১৬ নভেম্বর এ ব্যাপারে আদেশ হবে।

এই মামলায় আদালতে যমুনা টিভির পক্ষে বিভিন্ন সময়ে শুনানি করেন ব্যরিস্টার রফিক-উল হক, ব্যরিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, আহসানুল করিম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যরিস্টার খন্দকার রেজা-ই রাকিব।

সর্বশেষ শুনানি শেষে আজমালুল হোসেন কিউসি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা আদালতকে বলেছি, যথাযথভাবে সব প্রক্রিয়া শেষ করেই যমুনা পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে এসেছে। এরপরও আমাদের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়।”

“একটা টিভি চ্যানেল চালু করতে কয়টা লাইসেন্স প্রয়োজন- সে বিষয়েও আদালতের নির্দেশনা চেয়েছি”, বলেন তিনি।

পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে আসার মাত্র ৩৫ দিনের মাথায় অনাপত্তিপত্র না থাকার কারণ দেখিয়ে ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর বিটিআরসি যমুনা টিভির স¤প্রচার বন্ধ করে দেয়।

বিটিআরসির দাবি, যমুনা টিভি ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর অনাপত্তিপত্রের জন্য আবেদন করে। কিন্তু ওই আবেদন বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় তারা ‘অবৈধভাবে’ পরীক্ষামূলক স¤প্রচার শুরু করে।

যমুনা টেলিভিশনের মালিক যমুনা গ্র”পের কর্ণধার নুরুল ইসলাম বাবুল। দৈনিক যুগান্তরের মালিকও তিনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএন/জেকে/১০২০ ঘ.