ক্যাটেগরিঃ bdnews24

লন্ডন, ডিসেম্বর ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এলেও বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়ও তিনি লাইফসাপোর্টে ছিলেন বলে লন্ডন থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিনিধি জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রাজ্জাক তিন মাস ধরে লন্ডনের কিংস কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যকৃৎ প্রতিস্থাপনের জন্য লন্ডন গেলেও পরে তার বৃক্ক ও ফুসফুসেও জটিলতা ধরা পড়ে।

তবে বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজ্জাকের মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ করে এবং সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতার শোকবার্তার কথাও জানায়।

তবে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, আওয়ামী লীগ কার্যালয় এবং বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে কেউ তখন পর্যন্ত মুখ খোলেনি।

রাজ্জাকের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী তোফায়েল আহমেদ সন্ধ্যা ৭টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি এক ঘণ্টা আগেও যোগাযোগ করেছিলাম। তখন পর্যন্ত লাইফসাপোর্ট খোলা হয়নি।”

রাজ্জাক ’৭৫ এ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরে বাকশাল নামে আলাদা দল নিয়েই চলেন তিনি। ’৯০ এর দশকে বাকশাল আওয়ামী লীগে একীভূত হয়।

আওয়ামী লীগে ফেরার পর সভাপতিমণ্ডলীতে স্থান পান রাজ্জাক। দীর্ঘদিন দলের নীতি-নির্ধারণী এই ফোরামে ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার সরকারে পানিসম্পদমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

তবে ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর আওয়ামী লীগের যে কজন নেতা সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিতি পান, তার মধ্যে রাজ্জাকও ছিলেন।

এরপর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে মন্ত্রিসভায় স্থান হয়নি রাজ্জাকের। এরপর ২০০৯ সালের দলের সম্মেলনে নীতি-নির্ধারণী ফোরামের সদস্যপদও হারান তিনি। তাকে করা হয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।

রাজ্জাকের বাড়ি শরীয়তপুরের ডামুড্ডায়। তার বাবার নাম ইমাম উদ্দিন, মায়ের নাম আকফতুন নেছা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএনপি/এমআই/২০১০ ঘ.