ক্যাটেগরিঃ bdnews24

 

আবুল হোসেন
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

গাজীপুর, জানুয়ারি ১৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- কড়া নিরাপত্তার মধ্যে টঙ্গীতে শুক্রবার শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা। গতবারের মতো এবারো দুই পর্যায়ে ইজতেমা হচ্ছে।

প্রথম পর্যায়ে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার থেকেই দেশ-বিদেশের হাজার হাজার মুসল্লি জড়ো হতে শুরু করেন ইজতেমা ময়দানে। শুক্রবার ফজরের নামাজের পর পাকিস্তানের হাজী আব্দুল ওয়াহাবের বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই মহা সম্মেলন।

ইজতেমা উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছেন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন করে নিরাপত্তার বন্দোবস্তের খবর নিয়েছেন। মুসলিম জাহানের শান্তি কামনা করে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্যায় শেষ হবে। প্রথম পবে অংশ নিচ্ছে ৩২টি জেলার মুসল্লিরা।

চার দিন বিরতি দিয়ে ২০ জানুয়ারি শুরু হবে ইজতেমার দ্বিতীয় দফা। ২২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব তাবলিগ জামাতের বার্ষিক এই সম্মিলন।

১৯৪৬ সাল থেকে বাংলাদেশে (তৎকালীন বাংলা) বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুরুতে ইজতেমা হতো ঢাকার কাকরাইল মসজিদে। এরপর ’৪৮-এ চট্টগ্রামের হাজি ক্যাম্পে এবং ’৫৮তে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়।

ইজতেমায় লোক সমাগম বাড়তে থাকায় ১৯৬৬ সালে গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন। এরপর থেকে এখানেই ইজতেমা হচ্ছে।

এবারের প্রথম দফা বিশ্ব ইজতেমার শুরুর দিন শুক্রবার দুপুর অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ। সম্পূর্ণ অনানুষ্ঠানিক ও সভাপতিত্বহীন এ বিশ্ব সম্মেলনে যোগ দিতে ট্রেন, বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, ট্যাক্সি, স্কুটার, নৌকা ও পায়ে হেঁটে মুসল্লিরা ইজতেমা মাঠে এসেছেন শুক্রবার সকালেও।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ইজতেমায় আগত দেশের ও বিদেশের মুসল্লিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বৃহস্পতিবার বাণীতে বলেন, “এই মহামিলন ইসলামের আদর্শ এবং কোরআন ও সুন্নাহর শিক্ষাকে বিশ্ববাসীর কাছে ছড়িয়ে দিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মুসলিম বিশ্বের শান্তি, ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ব সুদৃঢ়করণে বিশ্ব ইজতেমার গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামের সুমহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবতার কল্যাণে সবাইকে আত্মনিয়োগ করতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, “ইজতেমায় আগত বিদেশি মেহমানদের মাধ্যমে আবহমানকাল ধরে আমাদের লালিত অসা¤প্রদায়িক চেতনা, অকৃত্রিম সরলতা ও অতিথিপরায়নতা এবং সহিষ্ণুতার আলোকবার্তা বিশ্ব দরবারে পৌঁছে যাবে।”

ইজতেমা ময়দান

বিশ্ব ইজতেমার আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য (মুরুব্বী) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, ১৬০ একরের ময়দানের পুরোটাই চটের সামিয়ানা টানানো হয়েছে। সাধারণ মুসল্লীদের রান্না-বান্নার স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব না হলেও মাঠের পশ্চিম-উত্তর কোনায় টিন শেডের উন্নত আবাসনে বিদেশি মুসল্লীদের রান্নার জন্য গ্যাসসহ বিদ্যুৎ ও টেলিফোন সংযোগ এবং আধুনিক সুবিধা রয়েছে।

এ বছর মাঠে জেলাওয়ারি মুসল্লীদের অবস্থানের জন্য পুরোময়দানকে প্রথম দফায় ৩৯টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৩৮টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। জেলাওয়ারী জামাতবদ্ধ মুসল্লীরা এসব নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন।

ইজতেমা পন্টুন ব্রিজ (ভাসমান সেতু) স্থাপন কাজের তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত মেজর মো. এমরান ইসলাম ভূঁইয়া জানান, নদী পারাপারের জন্য তুরাগের ওপর আটটি স্থানে সেতু বসানো হয়েছে।

প্রথম দফায় যেসব জেলা

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম দফায় ৩২ জেলার মুসল্লিরা ময়দানে জেলাওয়ারি ৩৯টি খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন। এসব খিত্তার মধ্যে ১ থেকে ১০ নম্বর খিত্তায় ঢাকার জেলার (আংশিক), ১১ ও ১২ নম্বর খিত্তায় গাজীপুর জেলা, ১৩ নম্বর খিত্তায় সিরাজগঞ্জ জেলা, ১৪ নম্বর খিত্তায় নরসিংদী জেলা, ১৫ নম্বর খিত্তায় ফরিদপুর, ১৬ নম্বর খিত্তায় রাজবাড়ি, ১৭ নম্বর খিত্তায় শরিয়তপুর, ১৮ নম্বর খিত্তায় কিশোরগঞ্জ, ১৯ নম্বর খিত্তায় রংপুর, ২০ নম্বর খিত্তায় নাটোর, ২১ নম্বর খিত্তায় শেরপুর, ২২ ননম্বর খিত্তায় রাজশাহী, ২৩ নম্বর খিত্তায় গাইবান্ধা, ২৪ নম্বর খিত্তায় জয়পুরহাট, ২৫ নম্বর খিত্তায় লালমনিরহাট, ২৬ নম্বর খিত্তায় হবিগঞ্জ, ২৭ নম্বর খিত্তায় দিনাজপুর, ২৮ নম্বর খিত্তায় সিলেট, ২৯ নম্বর খিত্তায় চাঁদপুর, ৩০ নম্বর খিত্তায় ফেনী, ৩১ নম্বর খিত্তায় চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান, ৩২ নম্বর খিত্তায় বাগেরহাট, ৩৩ নম্বর খিত্তায় কুষ্টিয়া, ৩৪ নম্বর খিত্তায় নড়াইল, ৩৫ নম্বর খিত্তায় চুয়াডাঙ্গা, ৩৬ নম্বর খিত্তায় যশোর, ৩৭ নম্বর খিত্তায় ভোলা, ৩৮ নম্বর খিত্তায় বরগুনা ও ৩৯ নম্বর খিত্তায় ঝালকাঠি জেলার মুসল্লিরা অবস্থান করবেন।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠের চারদিকে পুলিশ, র‌্যাব,আনসারসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। টঙ্গীর পুরো এলাকাকে নিরাপত্তা জালে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

র‌্যাব-১ এর উপ-পরিচালক মেজর মো. নিশাদুল ইসলাম খাঁন জানান, এবার র‌্যাব সদসস্যের সংখ্যা গতবারের চেয়েও বেশি। ৫ সেক্টরে ভাগ করে তারা পুরো ইজতেমা এলাকা ও আশেপাশে নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করছেন। দু’পর্বের ইজতেমার মূল ছয় দিন র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল দেবে। খিত্তায় খিত্তায় সাদা পোশাকে র‌্যাব সদস্যরা অবস্থান করছেন।

তুরাগ নদীতে নৌ টহল দল বৃহস্পতিবারই কাজ শুরু করেছে। মাঠে প্রবেশ পথে দেহ তল্লাশি, মাঠের বিভিন্ন পয়েন্টে টাওয়ার থেকে র‌্যাব পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়াও মাঠের ভেতরে খিত্তায় খিত্তায় সাদা পোশাকে বিশেষ টুপি পড়ে মুসল্লীদের সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীরা অবস্থান করছেন। র‌্যাবের বোমা নিস্ক্রিয়করণ দলও মাঠে কাজ করছে।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল বাতেন জানান, ইজতেমা মাঠের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য র‌্যাব পুলিশসহ এবার ১০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী কাজ করছে। পুলিশ ও র‌্যাবের বেশ কিছু সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা মনিটরিং করা হচ্ছে।

চলাচল নিয়ন্ত্রণ

১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারি ও ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি দু’পর্বের ইজতেমা উপলক্ষে মুসল্লিদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা এবং ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ধউড় সেতু থেকে আব্দুল্লাহপুর হয়ে প্রগতি সরণী এবং টঙ্গী সেতু থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত বিমানযাত্রী, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া সব যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

ঘোড়াশাল থেকে পুবাইল-কালীগঞ্জ হয়ে আসা যানবাহন টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনের পূর্বে মরকুন (কে-২) পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে ঘোড়াশাল হয়ে ঢাকাগামী যানবাহন কাচপুর/যাত্রাবাড়ি সড়ক ব্যবহার করবে।

ইজতেমায় গমনেচ্ছুক মুসল্লি, উত্তরাবাসী, বিমানযাত্রী, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য সব যানবাহনের চালকদের বিমান বন্দর সড়কের পরিবর্তে মিরপুর-সাভার সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

ঢাকা মহানগরের যে সব মুসল্লি পায়ে হেঁটে ইজতেমায় যাবেন তাদের শাহজালাল বিমানবন্দর গোলচত্বর আজমপুর-আব্দুল্লাহপুর হয়ে টঙ্গীসেতু দিয়ে না গিয়ে তুরাগ নদীর ওপর নির্মিত ভাসমান সেতু অথবা কামারপাড়া সেতু ব্যবহার করতে হবে।

গাড়ি পার্কিং

বিভিন্ন এলাকার যানবাহনের জন্য পৃথক এলাকা পার্কিং এর জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীর গাড়ির জন্য নিকুঞ্জ -১ আবাসিক এলাকার খালি জায়গা, উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর ও রাজউক কলেজের আশেপাশের খালি জায়গা নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

সিলেট বিভাগের গাড়ি উত্তরা ১২ নং সেক্টর, বরিশাল বিভাগ ধউড় সেতু ক্রসিং সংলগ্ন এলাকা, ঢাকা বিভাগ সোনারগাঁও সড়ক ও জনপথ সড়কের পূর্ব হতে পশ্চিম প্রান্ত, খুলনা বিভাগ উত্তরা ১০ ও ১১ নং সেক্টর সড়কের দুপাশে, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ হাউজিং মাঠ, চট্টগ্রাম বিভাগ উত্তরা ১৩ নং সেক্টরের গাউছুল আজম ও গরীবে নেওয়াজ রোডের দুপাশে এবং বরিশাল ও খুলনা বিভাগ উত্তরা ১৮ নং সেক্টরের খালি জায়গায়, রাজশাহী বিভাগের গাড়ি কামারপাড়া হাউজিং মাঠ ও ১০নং সেক্টরের খালি জায়গায় পার্কিং করবে।

বিশুদ্ধ খাবার ও ভ্রাম্যমাণ আদালত

দোকানে খাবারের মান ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ১২টি ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের নির্বাহী হাকিম আসমা আরা। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ইজতেমা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বিশুদ্ধ খাদ্য আইনে ৩টি ও দণ্ডবিধিতে ২টিসহ মোট ৫টি মামলা এবং ১৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা গাজীপুর জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার।

গাজীপুরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তফা জানান, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য এবার আরো একটি গভীর নলকুপ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, ইজতেমা এলাকায় ইতোপূর্বে একই ধরনের আরো ১১টি উৎপাদন নলকূপ সচল রয়েছে। ১২টি নলকূপ থেকে প্রতিদিন ৬৭ লাখ ২০ হাজার গ্যালন পানি সরবরাহ করা যাবে। পুরো ইজতেমা এলাকায় ১১ কিলোমিটার সরবরাহ লাইনের মাধ্যমে ওই পানি ওজু-গোসলের হাউজসহ প্রয়োজনী স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবা

গাজীপুরের সিভিল সার্জন সৈয়দ মো. হাবিব উল্যাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট টঙ্গী হাসপাতালে তাদের একটি নিজস্ব নিয়োন্ত্রণ কক্ষ ছাড়াও টঙ্গী হাসপাতালে কার্ডিয়াক, বার্ণ, অ্যাজমা, ট্রমাসহ বিভিন্ন ইউনিট খোলাসহ হাসপাতালে শয্যার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

ইজতেমা এলাকায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে প্রায় ৫০টির ফ্রি মেডিক্যাল সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। মন্নু নগর এলাকায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু ফ্রি-মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ

ডেসকোর ব্যবস্থাপক (টঙ্গী-পশ্চিম) মোস্তাফিজুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ইজতেমা এলাকায় সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি রয়েছে। উত্তরা, টঙ্গী সুপার গ্রিড ও টঙ্গী নিউ গ্রিডকে মূল ১৩২ কেভি সোর্স হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে, যেন কোন একটি গ্রিড বিকল হলেও সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘিœত না হয়।

অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় তথ্য

প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বরগুলো হচ্ছে, জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম- ৯৮১৩৪০১-২, পুলিশ কন্ট্রোল রুম-৯৮১৩৪০৩, পুলিশ সাব-কন্ট্রোল রুম-১- ৯৮১৩৪০৪, পুলিশ সাব-কন্ট্রোল রুম-২- ৯৮১৩৪০৫, র‌্যাব কন্ট্রোল রুম- ৯৮১৫১১১, র‌্যাব সাব-কন্ট্রোল রুম-১-৯৮১৫১১২, র‌্যাব সাব-কন্ট্রোল রুম -২-৯৮১৫১১৩, র‌্যাব সাব-কন্ট্রোল রুম -৩-৯৮১৫১১৩, স্বাস্থ্য বিভাগ কন্ট্রোল রুম – ৯৮১৭৫১৪-৯৮১৭৫১৫ ও ৯৮১৭৫১৬, টঙ্গী পৌরসভা কন্ট্রোল রুম – ৯৮১৩৪০৭, ইজতেমা কর্তৃপক্ষের তথ্যকেন্দ্র- ৯৮১৬৩৭০-৭১, ৯৮১৬৩৭২ ও ৯৮১৬৩৭৩, বিদ্যুৎ বিভাগ- ৯৮১৬৩৭৯, ফায়ার সার্ভিস- ৯৮১৬৩৬৮।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এমএইচপি/জেকে/০৯২০ ঘ.