ক্যাটেগরিঃ bdnews24

 

ঢাকা, মার্চ ০৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে যাকে মনে করা হয় সেই ওসামা বিন লাদেনকে হত্যার পর সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া হয়নি।

বরং তাকে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে গুলি করে হত্যার পর তার মৃতদেহ দাহ করতে পাঠান হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে; \\\’ছায়া সিআইএ\\\’ বলে পরিচিত স্ট্রাটফরের চুরি যাওয়া ইমেইল বার্তার ভিত্তিতে এক প্রতিবেদনে বলেছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য ডেইলি মেইল।

গত বছরের ২ মে ওই হত্যার পর হোয়াইট হাউজ বলেছিল বিন লাদেনের মৃতদেহ সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে ইসলামি রীতি অনুযায়ী।

তবে \\\’ছায়া সিআইএ\\\’-এর চুরি যাওয়া ইমেইলে দেখা যায়, স্ট্রাটফরের গোয়েন্দাবৃত্তি বিষয়ক সহ-সভাপতি ফ্রেড বার্টন হোয়াইট হাউজের এই ভাষ্য সম্পর্কে সন্দিহান।

তিনি বলেন, \\\”তার মৃতদেহ সিআইএ’র একটি উড়োজাহাজে [দেলাওয়ারের] ডোভার যাওয়ার কথা। সেখান থেকে [ম্যারিল্যান্ডের] বেতেসডায় সশস্ত্র বাহিনীর প্যাথলজি ইন্সটিটিউটে।\\\”

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অস্টিনভিত্তিক গোয়েন্দাবৃত্তি ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান
স্ট্রাটফরের ২৭ লাখ গোপন ইমেইল হাতে এসেছে বলে গত সপ্তাহে ঘোষণা দেয় অ্যানোনিমাস।ইমেইলগুলি তারা উইকিলিক্সকে দেয় যা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে যেগুলি প্রকাশ শুরু হয়।

এদিকে হ্যাকারদের চোর সম্বোধন করে স্ট্রাটফর বলেছে, কিছু ইমেইলে কারসাজি করা হয়েছে।

বিন লাদেনের মৃতদেহ বিষয়ক এই ইমেইল ফাঁস হলো এমন এক সময়ে যখন অ্যানোনিমাসের ভগ্নাংশ লুলজসেকের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি তদন্ত সংস্থা এফবিআই গ্রেপ্তার করেছে।

গত বছরের ২ মে অ্যাবোটাবাদে অভিযান চালিয়ে বিন লাদেনকে হত্যা করে মার্কিন নেভি সিল বাহিনী। ওই অভিযান সম্পর্কে পাকিস্তানকে আগে থেকে কিছু জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাকবিতণ্ডাও হয়।

বিন লাদেনের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১০ মার্চ । সৌদি আরবের সম্পদশালী বিন লাদেন পরিবারের এ সদস্য ছিলেন সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা।

তিনি এফবিআই তালিকাভুক্ত মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী ছিলেন।২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার উড়োজাহাজ নিয়ে হামলার পর থেকে লাদেন ও তার সংগঠন আল-কায়েদা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’র প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হয়।

ওই হামলায় কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়। হামলার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন বিন লাদেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিডি/০২৫১ ঘ.