ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, মার্চ ৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অপসারণ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইউনূস আইনানুগভাবেই ওই পদে আছেন বলে মনে করেন।

শুক্রবার রাতে গ্রামীণ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (তথ্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়) জান্নাত-ই-কাওনাইনের পাঠানো এই প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক ও বৈঠক পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে ‘প্রকৃত অবস্থা প্রতিফলিত হয়নি’।

এই প্রতিবাদলিপির সঙ্গে ২০১০ সালের ১৫ মার্চ অর্থমন্ত্রীকে লেখা ড. ইউনূসের একটি চিঠিও সংযুক্ত করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত বুধবার নোবেল বিজয়ী ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব থেকে অপসারণের আদেশ দেয়। এর কারণ হিসাবে বলা হয়, শেষ মেয়াদে তার দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টিতে নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

নোবেল বিজয়ী ইউনূসকে অপসারণের খবর সারাবিশ্বে সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়ে ওঠে। এরই প্রেক্ষাপটে সরকারি পদক্ষেপের ব্যাখ্যা নিয়ে বৃহস্পতিবার কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।

গ্রামীণ ব্যাংক কোনো বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) নয়- বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর এ বক্তব্য ‘পুরোপুরি সঠিক নয়’ দাবি করে প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, ‘অধ্যাদেশ অনুযায়ী ব্যাংকটির মালিকানা বিন্যাস শতকরা ৭৫% গ্রামীণ ব্যাংকের ভূমিহীন সদস্যদের এবং বাকি ২৫% সরকারের। বস্তুত সরকারের প্রদত্ত মূলধনের পরিমাণ মাত্র ৩.৫%।’

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, অর্থমন্ত্রী বৈঠকে জানান, প্রফেসর ইউনূস বেআইনীভাবে পদ ধরে থাকায় সরকার পরিস্থিতির সংশোধন করার জন্যই এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

এর জবাবে গ্রামীণ ব্যাংক বলেছে, ‘প্রফেসর ইউনূস বরাবরই বলে এসেছেন তিনি আইন মেনেই চলেন এবং তার মতে আইনানুগভাবেই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত রয়েছেন।’

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/জেকে/২২৫৬ ঘ.