ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, মে ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- হরতালে গাড়ি পোড়ানোর মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১৮ দলীয় জোটের ৩৩ নেতার জামিনের আবেদনে দুপুরে আদেশ দেবে আদালত।

বুধবার সকালে তাদের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে মহানগর দায়রা জজ মো. জাফরুল হক এই সময় দেন।

এর আগে আসামিদের অনুপস্থিতিতেই ৩৩ নেতার পক্ষে ১৬টি আবেদনের ওপর শুনানি করেন দুই পক্ষের আইনজীবীরা।

১৮ দলীয় নেতাদের জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন ব্যারিস্টার রফিক উল হক ও মওদুদ আহমদ। এ সময় খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নাল আবেদীন, আমিনুল হক, নিতাই রায় চৌধুরীসহ প্রায় ২০ জন আইনজীবী তাদের সঙ্গে ছিলেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার আবদুল মান্নান জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন।

ঢাকার মহানগর দ্রুত বিচার হাকিম মো. এরফান উল্লাহ এই ৩৩ জনের জামিন আবেদন খারিজ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর পর গত ১৭ মে মহানগর দায়রা জজ আদালতে এই আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা।

এম ইলিয়াস আলীকে ‘গুমের’ প্রতিবাদে গত ২৯ এপ্রিল হরতালের সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা করে পুলিশ।

এরপর ১০ মে মির্জা ফখরুলসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়, যা ২১ মে গ্রহণ করেন বিচারক।

এর আগে ফখরুলসহ জোট নেতারা আগাম জামিনের আবেদন করলে হাই কোর্ট তাদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী ১৬ মে তারা মহানগর দ্রুত বিচার হাকিমের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তা নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠান।

এ মামলার আসামি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও কামরুজ্জামান রতনকে আগেই গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

এছাড়া বিএনপির আরেক যুগ্ম মহাসচিব মাহাবুবউদ্দিন খোকন উচ্চ আদালতের জামিন পেলেও মেয়াদ শেষে তাকেও কারাগারে পাঠায় বিচারিক আদালত।

এই মামলায় কারাবন্দি নেতাদের মধ্যে আছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

এছাড়া এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমদ, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলুও কারাগারে রয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিবি/জেকে/১১৪২ ঘ.