ক্যাটেগরিঃ মুক্তমঞ্চ

সময়,জীবন আর প্রয়োজন এই তিনটি প্রত্যেক মানুষের সাথে জড়িত আছে বলে আমি হলপ করে বলতে পারি।অন্যদিকে এটি প্রত্যেক মানুষের সাথে সাথে, একটি জাতির সাথে জড়িত বলে একেবারে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই বলে আমার ক্ষুদ্র মাথায় ঘুরপাক খায়।প্রত্যেক জাতির জন্য স্বাধীনতা একটি ইতিহাস, একটি চেতনা ,একটি অনুপ্রেরণা,একটি এগিয়ে যাওয়ার শক্তি।তাই তরুন প্রজন্ম যখন সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলতে থাকে ,তখন তারা নিজের পরিচয় খুজে ,নিজের পরিচয় খুজতে গিয়ে জাতির পরিচয় খুজে।

জাতির পরিচয় খুজতে গিয়ে যে বিষয়টি আগে আসে সেটি হলো স্বাধীনতার সূচনা,স্বাধীনতার পক্ষ,স্বাধীনতার বিপক্ষ।স্বাধীনতার বিপক্ষ চোখে পড়লে প্রগতিশীল তরুন সমাজ নাক না কুঁচকে তার উপায় থাকে না।বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে তাই স্বাধীনতা একটি প্রেরণা, আমরা জাতি হিসাবে একটি শক্তিমান জাতি কারণ আমরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারি এবং দাড়ানোর ক্ষমতা আছে সেটি ৫২,৭১ এ আমরা প্রমাণ দিয়েছি।

স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিগুলো বিচার সময়ের দাবি ছিল।সেটি হয়েছে ,সেটি হচ্ছে,সেটি হবে বলে জাতি আজ বুঝতে পারছে।এটা ইতিহাস হয়ে থাকবে।পরের প্রজন্ম তাই বুজতে শিখবে যে জাতির বিপক্ষে দাড়ানো অপরাধ।

বিপক্ষের শক্তির তীব্রতা বেশি কিন্তু স্থায়ীত্ব কম বলে আমার মনে হয়।স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির তীব্রতা আমরা এখনকার তরুন প্রজন্ম দেখেছি সেই বিপক্ষের মানুষ গুলোর হুংকার দেখে এবং আঁচ করেছি মুক্তিযুদ্ধের সময় কেমন ছিল তার রেশ।স্বাধীনতা দেখিনি কিন্তু তার গল্প শুনেছি,যুদ্ধ কেমন সেটা গল্প শুনে তার সেই হাহাকার অনুভব করেছি যা আমাকে প্রকম্পিত করেছে,আমাকে নাড়া দিয়েছে।

একজন মায়ের সামনে তার সন্তান কে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে,স্বামীকে হত্যা করে হয়েছে।তারপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয়ে সেনা ক্যাম্পে নিজের শয্যা সঙ্গী করার জন্য,যে নারীর সামনে এতগুলো প্রিয় মানুষ কে হত্যা করা হয়েছে, ভালবাসার ঘর ভাঙ্গা হয়েছে সে নারীর জীবনে কোন পুরুষের সাথে যৌন সঙ্গম করার ইচ্ছা কি কোন দিন জাগ্রত হবে? সেটা আমি কোন দিন ভাবতে পারি না পারব না। স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির বিচার হোক কিন্তু সচ্ছ হোক সেটি আমার আশা কিন্তু হতেই হবে সেটি আমার চাওয়া।