ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

সম্প্রদায়গতভাবে কোন এক জাতিগোষ্ঠী তার নিজস্ব বিশ্বাস, কৃষ্টি-কালচার, আচার-আচরণ ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার ক্ষেত্রে যত বেশী কট্টর, স্বাতন্ত্র ও গোঁড়ামীপূর্ণ হচ্ছে; সেই জাতিগোষ্ঠীর সাথে অন্যান্য সম্প্রদায়গত জাতিগোষ্ঠীর মনো-জাগতিক দূরত্বও তত বেশী বাড়ছে! আবার কোন এক ধর্মীয় জাতিগোষ্ঠীর এই কট্টর স্বাতন্ত্র্যবোধ দেখে অপরাপর প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মাঝেও নিজস্ব কৃষ্টি-কালচার, আচার-আচরণ ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার ক্ষেত্রে সেইরূপ কট্টর মনোভাবের জন্ম নিচ্ছে। ফলে প্রত্যেক ধর্মীয় জাতিগোষ্ঠীর সাথে অপরাপর প্রত্যেক ধর্মীয় জাতিগোষ্ঠীর মনো-জাগতিক দূরত্ব কেবল বৃদ্ধিই পাচ্ছে ফলে পারস্পারিক আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গায় যে গ্যাপ তৈরি হয়েছে ও হচ্ছে তাতে ভবিষ্যতে বড় পরিসরে জাতিগত আগ্রাসী সংঘাত অনিবার্য! যদিও এই দর্শনগত স্বাতন্ত্র্য চিন্তা, ভূল বোঝাবুঝি কিংবা স্বীয় মতবাদ চাপিয়ে দেওয়ার আগ্রাসী মনোভাব অথবা সম্পদ বা অন্য কোন ভোগ্য অনুষঙ্গকে কেন্দ্র করে এরূপ অনেক ঘটনা প্রতিনিয়তো ঘটেই চলেছে! ইতিহাসের পাতা উল্টালেও দেখা যায় – অতীতের সেই সংঘাতের পরিসংখ্যানের অংকটাও অনেক বড়! আমরা চাইলে এই দূরত্ব যেমন বাড়াতে পারি তেমনি পারি কমাতেও! এই দূরত্ব কমাতে পারলে আমাদের লাভ – আমাদের নতুন প্রজন্ম পাবে এক সংঘাতহীন শান্তিময় পরিবেশ । আর তা না হলে আমরা তাদের জন্য রেখে যাব এক সংঘাতময় পরিস্থিতি কিংবা সংঘাত সৃষ্টির উর্বর বীজ!!!