ক্যাটেগরিঃ চতুর্মাত্রিক

পটুয়াখালী শহরের গলাচিপা মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী ফাল্গুনী এবার এস এস সি’র ফলাফলে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। ছোট বেলায় দুর্ঘটনায় কব্জি হারানো ফাল্গুনী দু’হাতের কব্জি দিয়ে লিখে জিপিএ ৫ পেয়েছে। তবে ফাল্গুনী সাহার পড়াশোনার ব্যয়ভার বা আর্থিক সামর্থ নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেনে বি-স্ক্যানের পক্ষ থেকে সালমা মাহবুব।

দেশের স্বনামধন্য দুটি দৈনিক ফাল্গুনিকে নিয়ে যে তথ্য প্রকাশ করেছেন তাকে কোনভাবেই দ্বায়িত্বশীল সাংবাদিকের সংবাদ পরিবেশন বলা যাচ্ছে না। সংবাদ মাধ্যমগুলো থেকে জানা যায় ফাল্গু্নী সাহার পরিবারের আর্থিক অবস্থার সীমাবদ্ধতা তার পড়াশুনা চালিয়ে নেবার পথে অন্তরায় এরপরেই দেয়া আছে সম্পুর্ন ভিত্তিহীন ও মনগড়া তথ্য ।

সংবাদপত্রের যে তথ্য দেয়া আছে তার বিপরীতে সালমা মাহবুব আরো বলেন,

…ফাল্গুনি সাহার পড়াশোনার ব্যয় ভার বহন করতে জানুয়ারি’ ২০১১ থেকে এগিয়ে আসে বি-স্ক্যান এবং আগামীতেও তার পাশে থাকার আশ্বাসে আরো দৃঢ়তার সাথেই নিয়োজিত । … ফাল্গুনীর পড়ার খরচ বাবদ তাঁদের দ্বারা নির্ধারিত মাসিক খরচ ২০০০ টাকা হিসেবে প্রতি তিন মাসের টাকা একসাথে ৬০০০ টাকার একটি চেক ফাল্গুনির বাবা জগদিশ চন্দ্র বসুর হাতে তুলে দেয়া হয় গত ৮ ডিসেম্বর, ২০১০ এবং বলা হয় আগামী এক বছর (মানে পুরো ২০১১) ফাল্গুনির লেখাপড়ার খরচ আমরাই দেবো এবং সে যদি ভাল রেজাল্ট করে তাহলে পরবর্তী দায়িত্বও আমাদের। সেখানে ফাল্গুনির স্কুলের প্রধান শিক্ষকও উপস্থিত ছিলেন। প্রতি তিন মাস অন্তর আমরা এই টাকা পাঠিয়ে যাচ্ছি।

সালমা মাহবুর প্রত্যাশা করেন,

পাঠক মাত্রই সংবাদ মাধ্যমের সত্যতা, স্বচ্ছতা ও গ্রহনযোগ্যতা আশা করে। আমরাও এর বাইরে নই । ব্যক্তিগত নাম বা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশের কোন সীমাবদ্ধতা যদি থেকেও থাকে তথাপিও ফাল্গু্নী সাহার পড়াশোনার অনিশ্চয়তার বক্তব্যটি সম্পুর্নভাবেই ভুল তথ্য প্রচার যা বিভ্রান্তির জন্ম দেয়।

আমরা সংবাদ মাধ্যমগুলোর বস্তুনিষ্ঠতা ও সামাজিক দ্বায়িত্বে্র পরিচয়বাহী সংবাদ আশা করি।

বিস্তারিত পোস্ট:
দৃষ্টি আকর্ষণঃ ফাল্গুনীকে নিয়ে সংবাদপত্রে বিভ্রান্তিকর তথ্য
সালমা মাহবুব
১৬ মে ২০১১, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
চতুর্মাত্রিক ব্লগ