ক্যাটেগরিঃ নাগরিক কণ্ঠ

 

পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় অজ্ঞাত রোগে একই পরিবারের ৩শিশু পঙ্গু হয়েছে। একটি শিশু বর্তমানে হাঁটাচলা করতে পারলেও সেও ধীরে ধীরে পঙ্গুত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এলাকার লোকজন শিশুরা পোলিও রোগে আক্রান্ত বলে ধারণা করছেন। একদিকে অর্থাভাবে চিকিৎসার অভাবে চোখের সামনে সন্তানদের মৃত্যুর দিকে ধাবিত হওয়া অন্যদিকে সংসারের অভাব অনটন তাদের জীবনে নেমে এসেছে অমানিশার অন্ধকার। দিনমজুর হতদরিদ্র ওই পরিবারটি বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চিকিৎসার অভাবে স্কুলগামী ফুটফুটে ছোট্ট শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য মা-বাবার আকুতি আর আহাজারিতে দেখতে আসা সবার চোখ জ্বলে ভারি হয়ে উঠছে।

জানা গেছে, বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরী ইউনিয়নের মাঝগ্রাম কামাত মানিক চাঁদ কাঠালপাড়া গ্রামের দিন মুজুর মজিবুর রহমান ময়নুলের পরিবারে এসেছিল ফুটফুটে ৩ সন্তান। প্রথম ময়নুল দ্বিতীয় মতিয়ার এবং তৃত্বীয় পুত্র মুক্তার। ওই তিন শিশুর মা মরিয়ম জানান, তার প্রথম পূত্র মশিউর (১৭) মাঝগ্রাম কামাতমানিক চাঁদ রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ার সময় হঠাৎ করে পায়ের ব্যাথা অনুভব করে। তার পায়ের হাটুর নিচের পিছনের মাংস শক্ত হয়ে ফুলে যায়। পায়ের গোড়ালির পিছনের রগ টানতে শুরু করে এবং ব্যাথা করতে শুরু করে। কোমর বাকা হতে থাকে। পায়ের আঙ্গুলের ওপর ভর দিয়ে চলাফেরা শুরু করে। একদিন হঠাৎ করে মাটিতে পড়ে গিয়ে তার হাত পা অবশ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে তার পা ও হাতের মাংস শুকিয়ে হাড্ডিসার হয়ে পঙ্গু হয়ে যায়। একইভাবে তার দ্বিতীয় পুত্র মতিয়ার (১২) ৩য় শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় বড় ভাইয়ের মত সেও পঙ্গু হয়ে যায়।

সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তে ভিজিট করুন নাগরিককণ্ঠ-এর এই পোস্ট