ক্যাটেগরিঃ গুগল-ফেসবুক

সাকিবের অধিনায়কত্ব হারানোর পরে ফেসবুকে তীব্র প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। কিছু উল্লেখযোগ্য স্টাটাস এখানে তুলে ধরা হলো:

শ্রীযুক্ত মাহফুজ চৌধুরী তার স্টাটাসে লিখেছেন,

একজন সাকিব ষোলকোটি মানুষকে যত আনন্দের উৎসব এনে দিছে বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কেউ এমনটা দেয়নি, এমনকি সমস্ত ষোলকোটি মানুষ মিলেও বাংলাদেশকে এতবার নির্ভেজাল আনন্দে ভাসায়নি। কতবার সে দলকে নিশ্চিত হারা থেকে টেনে তুলছে, কতবার!! আশ্চর্য্যের হয়ে দেখতেছি সে নাকি অহংকারী এজন্যে এখন তাকে বাদ দেওয়াতে এই বাঙালরাই এখন খুশি বেশ, সবাই হাততালি দিচ্ছে। খোদার কসম, বিশ্বে এমন অকৃতজ্ঞ জাতি আর একটাও নেই, একটাও না। এরা সাকিবের মত ক্যাপ্টেইন ডিজার্ভ-ই করেনা।

তিনি আরো লিখেছেন,

আমার সাকিবকে বাদ দিছে সেটার চেয়ে আমরা কেমনে এত অকৃতজ্ঞ হতে পারি সেটা ভেবেই মন খারাপ হচ্ছে। উটপাল শুভ্রদের মত কিছু ছাগল বের করছে সাকিব অহংকারী, এরপরে সবাই ধরে নিছে সে অহংকারী। ২৩ বছরের একটা ছেলেকে যে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত করে ফেলছে এইসব উতপালরা, সেটা কেউ দেখছেনা। আরে ক্যাপ্টেইন অহংকারী না হয়ে মেন্দামারা ভেজিটেবল হলে সে কোনদিন সফল হবে?
সাকিব, তুমি ভাই আর যেচে দিলেও ক্যাপ্টেইন হইয়োনা, এই অকৃতজ্ঞের দেশে তোমাকে মানায়না। এরা যে তাদেরকে একটা দেশ উপহার দিছে তারেই মাইরা ফেলছে, মাইরা তার যাতে বিচার নাহয় সেই ব্যবস্থা করছিল। এদের ক্যাপ্টেইন হিসেবে তোমাকে মানায়না ভাই, these losers will never recognize your worth. Let them go to hell.

মেহরাব শাহরিয়ার তার স্টাটাসে লিখেছেন,

দেবতা নয়,কথা ছিল ছেলেটা “মানুষ” হারকিউলিস হয়ে কাঁধে একসময় আকাশের ভর নেবে। অথচ তার কাঁধ যথেষ্ট চওড়া হওয়ার আগে আমরা তার কাঁধে সাত আসমান চড়ালাম। তাকে প্রণাম দিলাম, পূজো দিলাম। তাকে দেবতাজ্ঞান করে অতঃপর তার মাঝে কিঞ্চিত দেবতাসুলভ অহঙ্কার খুঁজে পেলাম। এরপর কষে তাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে বললাম, ” Disrespectful Loser, তুই মানুষ অবস্থায় ফিরে যা”। ছেলেটির হারকিউলেস হওয়া হল না, সে অন্তত সাধারণ মানুষই থাক। আর আমরা?

ধন্য এই রঙ বদলানো “নীতিবান” “অ-মানুষ” গিরগিটি জাতি

আকরামুল হক শামীম লিখেছেন,

‘সাকিব ও তামিমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি’ সংক্রান্ত সংবাদ ও ব্লগপোস্টগুলোর নিচে পাঠকদের মন্তব্যগুলো পড়লাম। পক্ষে যারা বলছেন তাদের বেশিরভাগেরই মন্তব্য “সাকিব অহংকারী”। সাকিব বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার এইটা এখন সবাই ভুলে গেছেন। সাকিবের অহংকারী চরিত্র সামনে থেকে কারা দেখেছেন? ‘অহংকার চরিত্র’ মিডিয়াসৃষ্ট নয় এমনটাইবা কে বলতে পারে? বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময় কিছু মিডিয়ার কল্যানে প্রথম জানা গেল সাকিব অহংকারী। মিডিয়ার পোর্টেইট করা ‘অহংকারী’ মেকাপের পেছনে হারিয়ে গেল একজন আত্ববিশ্বাসী ক্রিকেটার-অধিনায়ক।