ক্যাটেগরিঃ উন্মোচন

উন্মোচন ব্লগে আবুল হাসান রুবেল একটি পোস্টে লিখেছেন ভারত-বাংলাদেশ ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের মিথ ও বিশ্ববাস্তবতা নিয়ে। তিনি প্রশ্ন করেছেন,

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সবসময়ই এক জটিল ধাঁধার নাম। দুই দেশকে পরিচয় করিয়ে দেবার সময় চিহ্নিত করা হয়ে থাকে বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে। দুই দেশের ভেতরকার সম্পর্কের বিষয়ে বলতে গেলে সবসময়ই আবার আসে বন্ধুত্বের সাথে যায় না এমন অনেক অমীমাংসিত ইস্যুর কথা। দুই দেশের সম্পর্ক যদি বন্ধুত্বপূর্ণ হয় তবে অমীমাংসিত ইস্যু মীমাংসিত হবে এটাই যৌক্তিক। সে যুক্তি এখানে খাটে না। দিন, মাস, বছর যেনবা আদিকাল থেকেই এই সমস্যা ছিল এবং অনাদিকাল পর্যন্ত তা বহমান থাকবে – যেন এটাই নিয়তি। আর অমীমাংসিত বিষয়গুলো বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট। ভারতের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলো দ্রুতই ফয়সালা হয়ে যায়। এ কেমনতর বন্ধুত্ব?

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন,

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে নিয়ে করা বিতর্কিত মন্তব্যেও সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে প্রথমেই এসেছে ১০০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি। এই ঋণের ধরনটি কী বাংলাদেশের স্বার্থের অনুকূল? ঋণের কিছু বৈশিষ্ট্যের দিকে নজর দিলে সে কথা মনে হয় না-

* এটি একটি সরবরাহকারী ঋণ, যার শর্ত হলো প্রতিটি কেনাকাটা করতে হবে সরবরাহকারী দেশ থেকে।
* ঋণের অর্থ তাদের নির্ধারিত খাতেই ব্যয় করতে হবে।
* এমনকি বিশ্বব্যাংকের ঋণের সুদও যেখানে ১ ভাগের কম এবং পরিশোধের সময়সীমা ৩৫-৪০ বছর সেখানে এই ঋণের সুদ হার ১.৭৫, পরিশোধের সময়সীমা ১৫ বছর (গ্রেস পিরিয়ডসহ ২০ বছর)। প্রকল্পের কাজ ঠিকমত না এগোলে গুণতে হবে আরো ০.৫ ভাগ সুদ।

এই অর্থ ব্যবহার করে যে ১৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে তার প্রত্যেকটিই যুক্ত ভারতের ট্রানজিট প্রস্তাবের সাথে। অর্থাৎ এই ঋণ শেষ বিচারে আমাদের তেমন কোনো কাজেই লাগবে না আর তার সুদ গুণব আমরা।

…….> বিস্তারিত

_______________
-সময়ের মুখোশ খুলে দেখতে প্রত্যয়ী উন্মোচন ব্লগ। বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগের সাথে প্রস্তাবিত চুক্তির আলোকে পর্যবেক্ষণ পর্যায়ে এই পোস্টটি শেয়ার করা হয়েছে।

– আপনার কমিউনিটির কোনো সংবাদ শেয়ার করতে চান? জানান আমাদের ফেসবুক গ্রুপে