ক্যাটেগরিঃ গ্লোবাল ভয়েসেস

২০০৪ সালের পর থেকে চীনে শ্রমিক সঙ্কট বাড়তে থাকে; এই সঙ্কট মোকাবেলার জন্য চীন সরকার বেসরকারি কারিগরী প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ের [এখানে স্কুল বা বিদ্যালয় বলতে উচ্চ মাধ্যমিক বা স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান] সংখ্যা বৃদ্ধিতে উৎসাহ প্রদান করতে শুরু করে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক পরিসংখ্যানে জানা যায় যে ২০০৩ সালে দেশটির কারিগরি বিদ্যালয়গুলোতে যেখানে ছাত্রের সংখ্যা ছিল ১২.৫৬ ( ১ কোটি ২৫ লক্ষ )মিলিয়ন, তা ২০০৯ সালে বেড়ে ২১.৯৫ ( ২ কোটি ১৯ লক্ষ) মিলিয়নে পরিণত হয়েছে।

২০০৬ সালে সরকার তথাকথিত, সম্মুখে কারখানা, পেছনে স্কুল” নীতি বা “স্কুল- ব্যবসা” সহযোগিতা নীতি চালু করে। তবে, যে সমস্ত ছাত্র কারখানার সাথে যুক্ত, তারা নূন্যতম মজুরী পাওয়ার যোগ্য নয় এবং উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের, এ সব ছাত্রদের সামাজিক বীমা প্রদান করার প্রয়োজন হয় না, যদিও এ সব ছাত্র সাধারণ কর্মীদের সমান কাজ করে থাকে।

ছাত্র শ্রম

এশিয়া মনিটর রিসোর্স সেন্টার এক বিস্তারিত সংবাদ প্রদান করেছে , “ বাস্তবে ছাত্রদের নামে সস্তা শ্রম, চীনের কারিগরি বিদ্যালয়ের ছাত্রদের শিক্ষানবিশ কর্মী হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে তা করা হচ্ছে” শিরোনামে এক লেখার মধ্যে দিয়ে। এটা আসলে শিক্ষানবিশ কর্মী (ইন্টার্নশিপ) নামক এক পদ্ধতির নামে ছাত্রদের শোষণ করা হচ্ছে।

…সামগ্রিক ভাবে চীনের শিল্প কারখানায় যা প্রয়োজন তা হচ্ছে কেবল অদক্ষ শ্রমিক। মাধ্যমিক কারিগরি বিদ্যালয়ের ছাত্র, তারা যে প্রধান বিষয়ে শিক্ষা লাভ করুক না কেন, শেষে তাদের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে পাঠানো হয়। যেখানকার অনেক ছাত্র বলছে যে তাদের কাজ হচ্ছে শেখা এবং সেখানে তাদের শিক্ষাগত জ্ঞান কাজে লাগে না। যার ফলে ছাত্রদের শিক্ষানবিশ পর্যায়ে কাজে যাওয়ার মানে হচ্ছে, এক ভাবে শ্রমের সাথে যুক্ত এক ব্যক্তি হিসেবে শিল্পকারখানায় চিহ্নিত হওয়া। আর এভাবে শ্রম আইনের সুবিধা না প্রদান করে, প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের বেতন কমিয়ে ফেলতে পারে।

এই বিষয়টি কেবল যে ছাত্রদের শ্রম অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে না, একই সাথে তা শ্রমের বাজারে এক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অনেক প্রতিষ্ঠান ছাত্রদের শ্রমিক হিসেবে স্থায়ী ভাবে ব্যবহার করে। অনেক প্রতিষ্ঠান, মোট শ্রমের ৭০ শতাংশের জন্য কেবল ছাত্রদের ব্যবহার করে … (তাদের মোট শ্রমিকের ৭০ শতাংশ শিক্ষানবিস ছাত্র)… …

……> বিস্তারিত

_______________
বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ও গ্লোবাল ভয়েসেস অলনাইনের মধ্যে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় শেয়ারকৃত।
আপনার কমিউনিটির কোনো সংবাদ শেয়ার করতে চান? জানান আমাদের ফেসবুক গ্রুপে