ক্যাটেগরিঃ প্রিয়

 

(প্রিয় টেক) গবেষকেরা একটি কম্পিউটার সম্বলিত কন্ট্যাক্ট লেন্স তৈরির প্রচেষ্টায় রয়েছেন যাতে থাকছে ডিসপ্লে প্রযুক্তি। এই নতুন কম্পিউটারাইজড লেন্স প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর চোখের উপর ডাটা প্রদর্শন করা হবে। যাকে অনেকেই টারমিনেটরের সাথে তুলনা করেছেন।

এই লেন্সটি ডেভেলপ করেছেন চক্ষু ডাক্তার টুয়েং শেন, অপ্টোইলেকট্রিক বিভাগের প্রফেসর মারকু সোপানেন, প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক বাবাক আমির পারভিজ এবং ফিনল্যান্ডের অল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ।

এই লেন্সটিতে রয়েছে একটি মাইক্রোস্কপিক অ্যান্টেনা এবং মাইক্রো-লেড সমৃদ্ধ স্বচ্ছ স্যাফায়ার চিপ। বৈজ্ঞানিকেরা প্রথমে স্যাফায়ারের তৈরি অত্যন্ত ছোট্ট এবং কাস্টম ডিজাইনকরা একটি এলইডি নেন, এরপর এই এলইডিটাকে তারা প্লাস্টিক লেন্সের মাঝখানে এমবেড করেন। এছাড়াও একটি গোলাকার অ্যান্টেনাকে লেন্সটির ধারে এমবেড করেন। একটি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম সার্কিট ব্যবহার করে এই এলইডি এবং অ্যান্টেনার মাঝে সংযোগ সৃষ্টি করা হয়।

বৈজ্ঞানিকরা বলেন, যখন একটি বেতার সংকেত এই লেন্সটি গ্রহণ করবে তখন ছোট্ট এই এলইডি বাতিটি জ্বলে উঠবে এবং তথ্যগুলো ফিড করতে শুরু করবে। একটি রিমোট বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তারা একটি সিঙ্গেল পিক্সেল পাঠাতে সক্ষম হয়েছেন।

যদিও এই সেটআপের মাধ্যমে যে পিক্সেলগুলো দেখা যাবে তা মানুষের কাছে বোধগম্য হবে না। যেহেতু কোন কিছু দেখতে হলে বিষয়বস্তুটিকে নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করতে হয়। আর সে কারণে বৈজ্ঞানিকেরা আরেকটি নন-কম্পিউটারাইজড লেন্স তৈরি করেছেন যার ভেতরে রয়েছে একগুচ্ছ বিশেষ ফ্ল্যাটার এবং ফ্রেশনেল লেন্স নামক পাতলা লেন্স। এই লেন্সগুলো এক মাইক্রন থিক, যেগুলোর সাহায্য নিয়ে এলইডি লাইটটিকে ফোকাস করা সম্ভব হয়েছে।

ফিনিশ বৈজ্ঞানিক আরনাউদ বার্টস্ক বলেন, “মাত্র পাঁচ বছর আগেও এ ধরনের কিছুকে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী হিসাবে ধরে নেয়া হত। আমরা প্রথম যখন কন্ট্যাক্ট লেন্সে কোন কিছু যোগ করবার আলোচনা শুরু করি তখন মানুষ আমাদের সামনে হাসতে শুরু করে। এখন আমরা এটা করা সম্ভব বলে প্রমাণ করতে পেরেছি।”

…………….>বিস্তারিত