ক্যাটেগরিঃ গ্লোবাল ভয়েসেস

 

যখন বিপ্লব পরবর্তী মিশরে ইসলামপন্থীদের উত্থান দেখা দিচ্ছে, তখন তরুণ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং নারীদের মাঝে ধর্মীয় পন্থায় দমনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি মিশরের একদল নারী ফেসবুকে আরবীতে এক প্রচারণা চালু করেছে, যার নাম ইকোইং স্ক্রিম (আর্তনাদের প্রতিধ্বনি)। এতে তারা, তাদের সমাজে যৌনতা এবং দমনের মত বিষয় নির্দেশ করছে, যা হয়ত ইসলামপন্থী দলগুলোর ক্ষমতায় আসার আগমনে বেড়ে যেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে আগামীতে মিশরে ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে। একই সাথে এই দল একটি কার্যক্রমের সূত্রপাত করেছে যার নাম, “নারীদের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে হিজাব (অবগুণ্ঠন) ধারণ” (আরবী ভাষায়)। তারা নিজেদের কার্যক্রমের বিষয়ে বলছে এভাবেঃ
إذا كان الحجاب حرية شخصية و ليس رمزا للعبودية يرضونه للمرأة التي ينظرون لها كأداة جنسية و سلعة و عورة و لا يرضونه للرجال الذين إذا أرادوا إهانتهم قالوا “الرجالة لبسوا طرح”, فلن يهاجم دعاة تحجيب المرأة الرجال إذا إختاروا إرتداء الحجاب
তার বলে যে হিজাব হচ্ছে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং নারীকে দাসে পরিণত করার কোন চিহ্ন নয়, যাদেরকে তারা কেবল এক যৌন উপাদান, পণ্য, এক আওরাহ (যা না ঢেকে রাখলে মনে পাপ চিন্তার উদয় হয়) হিসেবে দেখে, তবে তারাই আবার হিজাবকে অশ্রদ্ধার বস্তু হিসেবে উল্লেখ করে, যখন তার বলে যে “ যে সমস্ত পুরুষ হিজাব পড়ে, তারা তাদের পৌরষত্বকে অপমান করে। এ কারণে যে সমস্ত পুরুষেরা নারীদের হিজাব পড়তে বলে, পুরুষদের হিজাব পড়ার বেলায় তাদের মানা করা উচিত নয়।

এই দলটি তাদের এই প্রচারণার পাতায় হিজাব পড়া কয়েকজন পুরুষের ছবি পোস্ট করেছে, এর মধ্যে একটি ছবি দুই বছর আগে ইরানের এক অনলাইন এক প্রচারণা থেকে নেওয়া। ইরানের এই প্রচারণা এক ছাত্রের সমর্থনে শুরু হয়েছিল, যখন কর্তৃপক্ষ দাবী করে যে উক্ত ছাত্র তেহরান থেকে পালানোর সময় মেয়েদের পোশাক (বোরখা) পরেছিল। তিউনিশিয়ার নেট নাগরিকরাও এই কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করে এবং তারা হাস্যরসের মাধ্যমে এই পাতায় নানা ধরনের মন্তব্য করে। সেখানে এননাহাদ নামক দল এবং দলটির প্রধান রাচেদ ঘানোচি সম্বন্ধে ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করে, যে দলটি কিনা গত মাসে অনুষ্ঠিত তিউনিশিয়ার সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে।


বিস্তারিত পোস্ট