ক্যাটেগরিঃ গ্লোবাল ভয়েসেস

জো সুং-হা হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ ত্যাগকারী এক নাগরিক। এখন সে এক সাংবাদিকে পরিণত হয়েছে। সে একটি ব্লগ চালায়, যার নাম নর্থ কোরিয়া আরটি (রিয়াল টক) [কোরীয় ভাষায়]। মি. জো এর জন্ম উত্তর কোরিয়ায়। সে কিম ইল-সাং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেছে। সে ১৯৯৮ সালে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসে এবং চার বছর পর সে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকত্ব অর্জন করেন। সে উত্তর কোরিয়ায় যে সব অভিজ্ঞতা লাভ করেছে, মাঝে মাঝে সেসব সম্বন্ধে সে বেশী দীর্ঘ প্রবন্ধ লিখে থাকে, যাতে সবাই এই রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে কি কি ঘটছে সে সম্বন্ধে সঠিক তথ্য জানতে পারে।

এই পোস্ট [ কোরীয় ভাষায়] হচ্ছে তার অজস্র সংবাদের সমালোচনা, যে সব সংবাদে ধারণা দেওয়া হচ্ছে যে উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম ইল জং, লিবিয়ার প্রাক্তন নেতা কর্ণেল গাদ্দাফির পতনের সংবাদে শঙ্কিত হয়ে উঠেছেন। উভয়ে ছিল বিশ্বের সবচেয়ে কুখ্যাত দুই নির্মম স্বৈরশাসক, তারা দুজনের মধ্যে প্রচুর মিল ছিল এবং ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে তারা দুজন ছিল বন্ধু।

카다피가 망한 뒤 각 언론사 사설 칼럼을 통해 김정일이 떨 것이라는 분석이 많은데, 저는 ‘No’라고 말하고 싶습니다.김정일이 과연 떨까요? 천만의 말씀입니다. 김정일은 오히려 카다피를 비웃고 있을 가능성이 크죠. 바지 벗어주고 뺨 맞은 바보 같은 놈이라고요. 카다피는 솔직히 나토가 개입해서 죽은 것입니다. 내부 시민혁명으로는 절대 망할 리가 없었죠. 김정일은 북한에서 내부 시민혁명이 일어나기는 리비아보다 백 배 더 힘들고, 일어나면 외국에 알려지기 전에 다 진압해버릴 수 있고(아무리 큰 봉기도 불과 반나절이면 끝)…

무엇보다 가장 중요한 점은 외세가 절대 개입 못한다는 점을 알고 있습니다. 북한엔 핵도 있겠다, 200만의 대군이 있겠다, 중국이 버티고 서주겠다, 석유도 없겠다…누가 북한을 공습할 수 있을까요. 그러니 리비아를 보면서 떨 일이 뭐 있겠습니까. 콧방귀를 뀌고 있겠죠. 다만 김정일도 리비아를 보면서 대비는 하고 있겠죠. 기동타격대를 조직했다던가, 국경 통제를 아주 강하게 한다던가, 중동 소식을 절대 알리지 않는 다던가, 쿠데타 못 일어나게 정치위원 더 강화시킨다던가 하는 것이 대표 사례입니다.

김정일의 가장 큰 불안은 자기가 죽고 김정은이 버틸 수 있을지 여부겠죠. 하지만 설명이 길어져서 더 쓰진 않겠지만요. 저는 지금처럼 노는 한 절대 2년 이상 못 버틴다고 봅니다.

북한 체제가 인위적으로 망할 수 있는 가장 가능성이 큰 방식은 두 가지 정도가 아닐까 봅니다.

하나는 위에서 쓴 것처럼 주민들과 말단 간부들까지 태업하면서 점점 곪아 문드러져 쓰러지는 것이죠. 하지만 시간은 꽤 걸리겠죠. 허울뿐인 정권도 누가 직접 무너뜨리지 않는 한 존속하기 때문입니다. 하지만 허울만 남겨지면 쓰러뜨리기가 훨씬 쉽죠.

둘째는 백성들의 원성이 하늘을 찌른다던가 권력 암투가 심해지면 제2의 안중근, 김재규가 나오면 되겠지요. 박정희 정권이 그리 끝날 줄 불과 하루 전까지 누가 알았겠습니까.

하지만 이 둘 보다 훨씬 더 확실한 것은 김정일은 늙었다. 그러니 죽는다. 언제? 곧….이것이 아니겠습니까.

북한도 이미 카운트다운에 들어간 겁니다.

গাদ্দাফির পতনের পর। প্রতিটি প্রচার মাধ্যম মতামত প্রদানকারী প্রবন্ধে ধারণা প্রদান করেছে যে, কিম জং ইল এই সংবাদে শঙ্কিত। কিন্তু আমি মনে করি আসলে তা নয়। সে কি এই সংবাদে আতঙ্কিত হয়ে পড়বে? তার কোন সুযোগ নেই। তার বদলে কিম “ নিজেকে গর্ত থেকে মুখ বের করার এবং থাপ্পড় খাওয়ার জন্য’ গাদ্দাফিকে উপহাস করবেন [ অশালীন]।

স্পষ্ট করে বললে বলতে হবে, ন্যাটোর হস্তক্ষেপের মধ্যে দিয়ে গাদ্দাফির মৃত্যু ঘটেছে, দেশটির অভ্যন্তরে সৃষ্ট কোন বিপ্লবের কারণে নয়।

কিমের ক্ষেত্রে, এই একই ধরনের কাজ করা আরো অনেক কঠিন। উত্তর কোরিয়ায় জনতার দ্বারা একটা বিপ্লব সৃষ্টি করা, লিবিয়ার চেয়ে শতগুণ কঠিন। এমনকি যদিও জনতা এক বিপ্লবের ডাক দেয়, তাহলে কিমের অনুগত সেনারা খুব সহজেই এই গণজাগরণ দমন করে ফেলবে। এমনকি বিশ্বে এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার আগে তারা তা সমূলে দমন করে ফেলবে।

এর সাথে যোগ করা যেতে পারে, কিম ভালোভাবে বোঝে যে উত্তর কোরিয়ার আভ্যন্তরে কোন বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপ করা সহজ নয়ঃ তার কাছে পারমাণবিক অস্ত্র এবং ২০ লক্ষ সেনা রয়েছে। এছাড়াও চীন তাকে সমর্থন দিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়ায় কোন তেলের খনি নেই। তাহলে কে এত ঝুঁকি নিয়ে উত্তর কোরিয়া হামলা চালাতে যাবে, যেখানে এর ফলে সমস্যা ছাড়া আর কিছুই জুটবে না? ফলে এমন ভাবার কারণ নেই যে, লিবিয়ার সাম্প্রতিক সংবাদে সে আতঙ্কিত হয়ে উঠবে।
তবে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই যে, কিম এখন ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। সে এখন নিরাপত্তা বাহিনীকে সংগঠিত করবে, সীমান্ত এলাকায় নিয়ন্ত্রণ কঠোর করবে, মধ্যপ্রাচ্যের যে কোন সংবাদ আর ছাপাতে দেবে না এবং যে কোন ধরনের অভ্যুত্থানের কাহিনী শোনার সাথে সাথে নিজের রাজনৈতিক শিবিরকে শক্তিশালী করবে, সে ইত্যাদি ইত্যাদি কাজ করবে।

বিস্তারিত পোস্ট