ক্যাটেগরিঃ প্রিয়

 

অ্যানালিস্টরা মনে করছেন অ্যাপল তাদের পরবর্তী প্রজন্মের আইপ্যাডের কাজ প্রায় শেষ করে নিয়ে এসেছে। ধরে নেয়া হচ্ছে, এই আইপ্যাডটিই আগামী বছরের (২০১২) ফেব্রুয়ারি মাসে আইপ্যাড-৩ হিসেবে বের হবে।

অ্যানালিস্ট রিচার্ড গার্ডনারের মতে, ডিভাইসটি আইপ্যাডের মতই দেখতে হবে কিন্তু বৈশিষ্ট্য হিসেবে থাকবে আইফোন ৪ এবং ৪এস-এর মত রেটিনা ডিসপ্লে। ফলে আইপ্যাড-৩ এর স্ক্রিন রেজ্যুলেশন আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

গার্ডনার বিজনেস ইনসাইড এবং পিসি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানিয়েছেন, তিনি “অনেকগুলো সূত্র” থেকে জানতে পেরেছেন অ্যাপল আইপ্যাড-৩ আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই বের করবে।

প্রথম আইপ্যাড বাজারে বের হয় ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে, আর আইপ্যাড-২ বের হয় ২০১১ সালের মার্চ মাসে। দেখা যাচ্ছে আইপ্যাড-৩ এই দুইয়ের আগেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

অ্যানালিস্টদের মতে, হাই-রেজ্যুলেশন আইপ্যাড বের করার ক্ষেত্রে “প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা এ মুহূর্তে থাকার কথা নয়”। এর আগে বলা হয়েছিল অ্যাপলের আইপ্যাডে এত শক্তিশালী স্ক্রিন বসাতে ঝামেলা রয়েছে আর সেকারণেই আইপ্যাড-২ ১০২৪x৭৬৮ রেজ্যুলেশন স্ক্রিন ব্যবহার করা হয়েছিল।

আইপ্যাড এবং আইপ্যাড-২ উভয়ের ডিসপ্লেতেই পিক্সেল ডেনসিটি (ঘনত্ব) ১৩২ পিক্সেল পার ইঞ্চি (পিপিআই)। সেখানে আইফোন ৪ এবং ৪এস ৯৬০x৬৪০ রেজ্যুলেশন সমৃদ্ধ স্ক্রিন ব্যবহার করে থাকে। এই স্ক্রিনগুলো রেটিনা ডিসপ্লে নামে পরিচিত আর এদের পিক্সেল ডেনসিটি ৩২৬ পিপিআই। যে কোন ডিসপ্লে যার পিপিআই ৩০০-এর চাইতে বেশি সেগুলোর ঘনত্ব এত বেশি যে মাত্র ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি দূর থেকে পিক্সেলগুলোকে আলাদাভাবে মানুষের চোখ নির্দিষ্ট করতে পারে না ফলে এগুলোকে রেটিনা ডিসপ্লে বলে পরিচিত হয়। রেটিনা ডিসপ্লের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে পিক্সেল দেখা যায় না বিধায় ছবিগুলো আরো সুন্দরভাবে আপনার চোখে ধরা পড়ে।

……>বিস্তারিত