ক্যাটেগরিঃ প্রিয়

 

বাংলাদেশে অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে ২০০৮ সালের নভেম্বরে ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। মোট ৩টি লাইসেন্স দেয়ার কথা থাকলেও, কার্যত ২টি প্রতিষ্ঠান (বাংলালায়ন এবং কিউবী) প্রত্যেকে ২১৫ কোটি টাকা ফি দিয়ে লাইসেন্স নিয়েছিল। এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা ব্র্যাক তাদের লাইসেন্স নেয়নি। পরবর্তিতে তাদের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সরকারী প্রতিষ্ঠান বিটিসিএলকে একটা লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। তারা বলেছে, এই লাইসেন্স তারা আর নেবে না! এ বছর সরকার একই সাথে থ্রি-জি এবং ফোর-জি’র লাইসেন্স দেবে বলে নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। আসুন দেখা যাক, বাংলাদেশে এই দুটি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানি বেঁচে থাকবে কি না!

প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করে নেয়া প্রয়োজন। এই রিভিউটি মূলত একটি তাত্ত্বিক আলোচনা। এর সাথে অনেকেই দ্বিমত পোষণ করতে পারেন। এবং সেই সুচিন্তিত মতামতগুলো এখানে গ্রন্থিত হলে সেটা আমাদের দেশের প্রযুক্তির সাথে যুক্ত মানুষদের ভাবনার দুয়ার আরো প্রসারিত করবে বলেই আমরা মনে করি। পাশাপাশি, এই ওয়াইম্যাক্স সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুদিন পরেই শেয়ার বাজার থেকে মূলধন যোগার করার চেষ্টা করবে। ইতোমধ্যেই তারা সেই প্রস্তুতি শুরু করেছ। তাই আমাদের সাধারণ মানুষেরও জানার প্রয়োজন রয়েছে, এই কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ কী!

আপনাদের সুচিন্তিত মতামত পেলে এই রিভিউটি আরো সমৃদ্ধ হবে, আমরা সেটাই কামনা করি। এবারে চলুন দেখা যাক, কি কি বিষয়ের জন্য আমরা মনে করছি, ওয়াইম্যাক্স কোম্পানিগুলো বেঁচে থাকবে না।

……>বিস্তারিত