ক্যাটেগরিঃ গ্লোবাল ভয়েসেস

 

কোনো কারণ ছাড়াই চিত্রকর্ম প্রদর্শনী বন্ধ করায় কুয়েতি শিল্পী শুরুক আমিন ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সংবাদসূত্রে জানা গেছে, প্রদর্শনী শুরু হওয়ার তিনঘণ্টার মধ্যে কর্তৃপক্ষ প্রদর্শনী বন্ধ করে দেয়। প্রদর্শনী বন্ধ করার সময় তারা বলেছে, চিত্রকর্ম নিয়ে তাদের কাছে অভিযোগ এসেছে।

৫ মার্চ ঘটনার সময় শিল্পী ক্ষুব্ধ হয়ে টুইট করেন:

@শুরুকআমিন: তারা বন্ধ করে দিতে চায় #পেইন্টিং #শিল্প #সেন্সরশিপ #কুয়েত।

গত কয়দিনে এ বিষয়ে শিল্পীর সমর্থনে বিপুল সংখ্যক টুইট হয়। সেগুলোর হাশট্যাগ হচ্ছে #পেইন্টটুফ্রিডম। ‘অসাধু এবং যৌনউত্তেজনাপূর্ণ’ শিল্পকর্মের অভিযোগের বিরুদ্ধে একজন কুয়েতি টু্ইটার ব্যবহারকারী লিখেন:

@আলাদিনসওয়াইফ: আপনি যদি পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞা না জানেন, সেটা আপনার সমস্যা। অভিধান দেখে নিন না!

সেন্সরশিপের প্রতিবাদের কুয়েতি শিল্পী মুহম্মদ শারাফ-এর শিল্পকর্ম।

শাহদ আলশাম্মারি আরো যোগ করেন:

@শাহদআলশাম্মারি: শিল্পকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিলে সেটা হবে খুবই দু:খজনক ঘটনা।

আল কাবাস পত্রিকার সাথে সাক্ষাৎকারে আমিন কুয়েতের সেন্সরশিপকে আক্রমণ করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তারা তার প্রদর্শনী বন্ধ করে দিয়ে শিল্পচর্চাকে বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছে। তারা সমাজের ঐতিহ্যের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখিয়েছেন। এগুলো বন্ধ করতে চেয়েছেন। আল কাবাস পত্রিকা ইঙ্গিত দিয়েছে, কুয়েতের ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা এটাই প্রথম। কুয়েতের বামপন্থীরা এটা প্রত্যাখান করে একটা বিবৃতি দিয়েছে। এ ঘটনাকে তারা ‘শিল্পের ওপর সরকারের অভিভাবকত্ব’ বলে অভিহিত করেছে।

ইতিমধ্যে কুয়েতি কলামিস্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সোয়াদ আল মোজেল (@সোয়াদআলমোজেল) টু্ইট করেছেন [আরবি ভাষায়]

….> বিস্তারিত