ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 


আফগানিস্তানে আশির দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বাহিনীকে ঠেকাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিআইএ’র তৈরি লাদেন।

পরবর্তী সময় সংঘাত বাধে লাদেন ও মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে।

আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়ে আল-কায়দার জঙ্গীরা নিজেদের শক্তির প্রমাণ দেয়।

চুড়ান্ত প্রমাণ ৯/১১

শুরু হয় ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’।

আফগানিস্তান থেকে তাড়া খেয়ে ওসামা চলে আসেন পাকিস্তানে।

অ্যাবোটাবাদে আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করে মার্কিন নেভি সীল।

বারাক ওবামা হোয়াইট হাউস থেকে টেলিভিশনের মাধ্যমে লাদেনের নিহত হওয়ার সংবাদ ঘোষণা করেন।

মৌলবাদ সৃষ্ট এই সান্ত্রসবাদকে নিজেদের স্বার্থে মদত দিয়েছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। প্রকৃতপক্ষে লাদেন হলো ওয়াশিংটনের ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন।

মার্কিন প্রশাসন যদি সন্ত্রাসবাদকে আবারও মদত দেয় তাহলে নতুন কোনো ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের জন্ম হবে।

(ছবি – অর্ন্তজাল)