ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে যেসব বেজন্মা বাঙালি এদেশের মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো তাদের বিচারে কেনো এতো বিলম্ব? দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ঘৃণ্য অপরাধীকে ফাঁসি দেওয়া হোক। বিলম্বের ফাঁকে সরকার বদল হলে তারা আবার মন্ত্রীও হয়ে যেতে পারেন। ওই সব রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীর গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে অনেকেই দেখেছেন। তাদের ফাঁসির বদলে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যেই উঠেপড়ে লেগেছেন এই সব যুদ্ধাপরাধীদের দোসর বিএনপি প্রধান।

একাত্তরে যারা নিরীহ বাঙালির ওপর নরপিশাচের মতো হুঙ্কার দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন তাদের তালিকা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই খুলনায় যেসব যুদ্ধাপরাধীর বাস তাদের পরিচয় দেওয়া হলো-

খান এ সবুর- তাকে জন্ম দিয়েছিলেন নাজমুল খান। তার গ্রামের বাড়ী খুলনা জেলার ফকিরহাট থানার সৈয়দ মহল্লা গ্রামে। ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাটের একটি আদালতে আত্মসমর্পন করে ওই অঞ্চলের প্রভাবশালী এই রাজাকার।

সৈয়দ আহমেদ মোল্লা- সেকমাতুল্লাহ মোল্লার ছেলে। তার বাড়ী খুলনা শহরেই। ১৯৭২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর খুলনার আদালতে আত্মসমর্পণ করে এই পাষন্ড।

শেখ আনসার আলী- তার বাবার নাম শেখ আসগর আলী। খুলনার তালা থানার উথুলি গ্রামের বাসিন্দা আনসার ৭২’র ২৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় আত্মসমর্পণ করে।

রজব আলী- খুলনার বাগেরহাট থানার ঠাকুরদীঘি গ্রামের মেহের আলীর ছেলে। সে ৭২’র ২৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় আত্মসমর্পণ করে।

হামিদুর রহমান হালদার-খুলনার ডুমুরিয়ার মাহতাবউদ্দিন গোলদারের ছেলে। সেও ৭২’র ২৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় আত্মসমর্পণ করে।

হাফেজ আব্দুল হাকিম- খুলনার কোতোয়ালী থানার দাবেন বাবু রোডের আব্দুর রহিম সুবেদারের ছেলে। সেও ৭২’র ২৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় আত্মসমর্পণ করে।

এ এফ এম এ জলিল- খুলনার তেরখাদার পানটিল্লা গ্রামের উমেদ আলীর ছেলে। সেও ৭২’র ২৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় আত্মসমর্পণ করে।

ড. এ এস শরফুদ্দিন আহমেদ- পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানার খেপুপাড়া গ্রামের শাহ বশিরউদ্দিন আহমেদের ছেলে। এই নরঘাতকও ৭২’র ২৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় আত্মসমর্পণ করে।

এই সব জানোয়াদের চিনে রাখুন- এদের ধিক্কার দিন এবং এদের ও এদের অনুসারীদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বর্জন করুন।